কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা
জোর করে বিয়ে দেওয়ায় গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে পিংকি আক্তার (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রী। গত বৃহস্পতিবার নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের বসুনিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পিংকি একই ইউনিয়নের বোর্ড অফিসপাড়া গ্রামের কৃষক রাজু মিয়ার মেয়ে ও চাঁদখানা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। পুলিশ পিংকির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলার মর্গে প্রেরণ করে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ৩২ দিন আগে পিংকির সঙ্গে বিয়ে হয় নীলফামারী সদরের চাপড়া সরনজামী ইউনিয়নের লতিফচাপড়া গ্রামের সাঈদুল ইসলামের ছেলে লাজু মিয়ার।
এলাকাবাসী জানায়, বিয়ে হলেও পিংকিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়নি। আর বিয়েতে মত ছিল না পিংকির। তাই সে বাবার বাড়ি ছেড়ে নানা শাহাদত্ হোসেনের বাড়িতে থাকতো। বুধবার তার স্বামী শ্বশুরবাড়ি গেলে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় পিংকির কাছে তার নানার বাড়িতে। সেখানে তার স্বামী রাতে অবস্থান করে। এ অবস্থায় সবার অগোচরে সে ঘরের ভেতর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে বলে পরিবারের দাবি। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ পিংকির ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে বাল্যবিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোরগঞ্জ থানার ওসি মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, বাল্যবিয়ের কারণে পিংকির আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।