চট্টগ্রাম বন্দরে দুবাই থেকে আসা সাড়ে ৮ টন গুঁড়া দুধ আটক

দুবাই থেকে মিথ্যা ঘোষণায় আনা সাড়ে ৮ টন গুঁড়াদুধ খালাসকালে চট্টগ্রাম বন্দরে ধরা পড়েছে। গতকাল শুক্রবার কাস্টম হাউজ সূত্র জানায়, ঢাকার নিউ মার্কেট থানার ১২৪/এ, ড. কুদরাত-এ-খুদা সড়কের (এলিফ্যান্ট রোড) ঠিকানায় আমদানিকারক প্রাইম ট্রেডিং ইলেকট্রনিক পণ্যের ঘোষণায় দুবাই থেকে ২ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি করে। নিয়ম অনুযায়ী পণ্যগুলো কনটেইনার থেকে নামিয়ে বন্দরের ১২ নম্বর শেডে সংরক্ষণ করা হয়। পণ্য খালাসের জন্য  আমদানিকারকের পক্ষে গত ১০ সেপ্টেম্বর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট  চট্টগ্রামের ১১০২ ডিটি রোডের রাজ বাণিজ্য বিতানের কুলগাঁও ট্রেডার্স লিমিটেড কাস্টম হাউজে বিল অব এন্ট্রি (সি-১২৪৯০০৮) দাখিল করে। 

কাস্টমস কর্মকর্তা পণ্য পরীক্ষা করতে গেলে পণ্য খালাসে নিয়োজিত আমদানিকারকের সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি শেডে সংরক্ষিত অপর একটি ইলেকট্রনিক পণ্য পরীক্ষা করান বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে ইলেকট্রনিক পণ্যের বিপরীতে আড়াই লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ করে দুইটি কাভার্ড ভ্যানে পণ্য বোঝাই করে খালাসের অপচেষ্টা করা হলে কাস্টম হাউজের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ  (এআইআর) টিম গাড়িগুলো আটক করে। এআইআর কর্তৃক পণ্য পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিবর্তে প্রায় সাড়ে ৮ মেট্রিক টন গুঁড়াদুধ পাওয়া যায়। যার আনুমানিক শুল্ককর  ২৮ লাখ টাকা। 

এআইআর শাখার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম  জানান, গুঁড়াদুধের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি অনুযায়ী মোড়কের গায়ে ‘মায়ের দুধের বিকল্প নেই’ কথাটি উল্লেখ থাকতে হয় এবং বিএসটিআইর মাধ্যমে খাবার উপযোগী কিনা, তা পরীক্ষা করাতে হবে। এক্ষেত্রে দুটি শর্তই পূরণ করা হয়নি। কারা এ চালান আমদানি ও খালাসের অপচেষ্টার সঙ্গে জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।