‘ঢাকার গণপাঠাগার : আলোয় ভরা ভুবন’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হলো ঢাকার পরীবাগের সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে। এতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক, মিনার মনসুর; লেখক ইকরাম কবীর; দনিয়া পাঠাগারের সভাপতি মো. শাহনেওয়াজ; প্রকাশক আলমগীর শিকদার লোটন। বইয়ের প্রকাশক শ্রাবণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী রবীন আহসান অনুষ্ঠানের শুরুতে বলেন, ‘এটি ভিন্ন রকম একটি বই। এতে ঢাকার পাঠাগারচর্চার দেড় শ বছরের ইতিহাস উঠে এসেছে।’ পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার কামাল স্মৃতি পাঠাগারের আবু তাহের বলেন, রাষ্ট্র কেন পাঠাগারগুলোর দায়িত্ব নেয় না।
মিরপুরের সৃষ্টি পাঠোদ্যানের আশরাফুল ইসলামের বক্তব্য, সরকারি ছুটির দিনে কেন সরকারি গণগ্রন্থাগার বন্ধ থাকবে। পার্ক, জাদুঘর খোলা থাকলে লাইব্রেরি কেন নয়। খিলগাঁও ইসলামি পাঠাগারের আলতাফ হোসেন বললেন, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের যে লাইব্রেরিটি আছে, সেটি ‘লাইব্রেরির লাইব্রেরি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জেবুন্নেছার কথা, বইবিমুখতার জন্য মোবাইল ফোনকে দায়ী করা ঠিক হবে না। দায়ী করতে হবে সিস্টেমকে। কীভাবে শিশুদের কাছে বই আনা যাবে, তা নিয়ে অনুপুঙ্খ ভাবতে হবে।শহিদ বুদ্ধিজীবী পাঠাগারের ফাহিমা কানিজ লাভা বললেন, ‘সরকার সবকিছুতে এত এত বরাদ্দ দিচ্ছে, কিন্তু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র পাঠাগারগুলোর এত ?রুগ্ণ দশা কেন, বুঝতে পারি না।’ —প্রেস বিজ্ঞপ্তি