মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩

মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ আরো দুই জনের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ আরো দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নাম আব্দুল আজিজ (৪০) ও মো. ফরিদ (৫৫)। গতকাল শনিবার ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এ দুজনের মৃত্যু নিয়ে ঐ বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৩ জনে।

এ দুই জনের মৃত্যুর ব্যাপারে ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, তাদেরকে বাঁচানোর সব ধরনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে দুর্ভাগ্য যে, তারা এতটাই দগ্ধ ছিলেন যে, শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না। আগুনে তাদের শ্বাসনালী পুড়ে গিয়েছিল। তিনি আরো জানান, বর্তমানে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আরো তিন জন চিকিত্সাধীন রয়েছেন। এই তিন জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, নিহত দুই জনের মধ্যে আজিজের দেহের ৪৭ শতাংশ আর ফরিদের (৫৫) দেহের ৫০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। বিস্ফোরণের সময় আজিজ মসজিদের সামনেই তার লন্ড্রির দোকানে কাজ করছিলেন। বিস্ফোরণে দোকানের গ্লাস ভেঙে আগুনের হলকা এসে ঢোকে তার  দোকানে।

ইনস্টিটিউট সূত্রে আরো জানা গেছে, ঐ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে পটুয়াখালীর চুন্নু মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ কেনান (২৪) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার নিউখানপুর ব্যাংক কলোনির আনোয়ার হোসেনের ছেলে রিফাত (১৮) এবং নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসিরহাট গ্রামের আবদুল আহাদের ছেলে আমজাদ (৩৭) এখন ইনস্টিটিউটে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে আমজাদের দেহের ২৫ শতাংশ পুড়েছে। শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়েছে কেনানের, রিফাতের পুড়েছে ২২ শতাংশ। সবারই শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় কেউ শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা।