শরীরের অভ্যন্তরীণ নানান অসুবিধা থেকে রক্ষা পেতে এবং বেশকিছু জটিল রোগ প্রতিরোধে নাক-মুখ ঢাকতে মাস্ক ব্যবহার আগেও করতেন কেউ কেউ। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে এবং রাখতে মাস্ক ব্যবহার এখন অবশ্য কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির কথা বলা, হাঁচি দেওয়া এবং কাশির সময় বেরিয়ে আসা জলকণায় জীবাণু একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাতাসে ভেসে থাকে। এ সময়ের মধ্যে হাঁটাচলা করা কিংবা দাঁড়ানো কারো খোলা নাক মুখ ও চোখে জীবাণু পৌঁছুতে পারলেই নিশ্চিতভাবে সংক্রমিত হবেন তিনি। তাই যিনি আক্রান্ত—তাঁর উচিত অন্যকে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং যিনি সুস্থ-স্বাভাবিক, তাঁর উচিত সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পেতে যথাযথভাবে মাস্ক ব্যবহার করা। আবার জ্বর, সর্দি-কাশি এবং শ্বাসকষ্টের মতো পরিচিত লক্ষণ ছাড়াও করোনাভাইরাস বহন করার প্রমাণ মিলেছে। তাই এখন সুস্থ-অসুস্থ নির্বিশেষে সবারই মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে সরকার। এটা সময়োপযোগী এবং অত্যন্ত দরকারি পদক্ষেপ। তবে হাঁটাচলা এবং জনসমাগমে ১০০ ভাগ মানুষের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করলেই করোনাভাইরাস থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না—মাস্ক দিয়ে সবাই নাক ও মুখ ঢেকেছে কি না তাই দেখতে হবে। করোনাভাইরাস ছড়ায় নাক ও মুখ দিয়ে, থুতনি দিয়ে নয়। অনেকে মাস্কে নাক-মুখ না ঢেকে থুতনিটা ঢেকে রাখেন!
মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলীলুল্লাহ
বারইয়াহাট, মীরসরাই,
চট্টগ্রাম ৪৩২৬