ট্রাম্প কেন এত রাগী!

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট না হলেই বোধহয় ট্রাম্পের সময়টা ভালো কাটতো! কারণ তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিনিয়ত ট্রলের শিকার হচ্ছেন। তাকে নিয়ে টয়লেট ব্রাশ থেকে শুরুকে বেবি ডায়াপারও বানানো হয়। এর নেপথ্যে তার রাগী স্বভাব!

মার্কিন লেখক-সাংবাদিক মাইকেল উলফ ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি’ নামের একটি বই লিখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে। বইয়ে ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ট্রাম্পকে চিন্তাহীন, গণ্ডমূর্খ, অপরিণত মস্তিষ্ক, শিশুদের মতো খামখেয়ালি স্বভাবের বলেও  উল্লেখ করা হয়েছে এতে। বলা হয়েছে, ‘ট্রাম্প সবসময় শিশুদের মতো কেবল প্রশংসা আর হাততালি চান। তাত্ক্ষণিক প্রশংসা পাওয়ার জন্য সবসময়ই মুখিয়ে থাকেন। এই লোক কোনো বইটই পড়ে না, কারো কোনো কথা শোনে না। তার স্বভাব অনেকটা পিনবলের মতো। পিনবল টেবিলে যেমন সবার চোখ থাকে যত বেশি সম্ভব স্কোর করা, ট্রাম্পের নজরও সারাক্ষণ অন্যদের মুখ থেকে প্রশংসা পাওয়ার দিকে।’

বিতর্কিত এই বইটি এরইমধ্যে মার্কিনমুলুকে ‘বিস্ফোরক বই’-এর অভিধা পেয়ে গেছে। হু হু করে কাটতি বাড়তে থাকা এই বইয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্বন্ধে অনেক বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। হোয়াইট হাইসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে বইয়ে বলা হয়েছে, তারা ট্রাম্পকে একজন অপরিণত মনের ‘বয়স্ক শিশু’ হিসেবেই গণ্য করে থাকেন। কেননা ট্রাম্প সচরাচর যে অসংলগ্ন, খামখেয়ালি আচরণ করে থাকেন সেই আচরণের সঙ্গে অবিকশিত, অবোধ শিশুর আচরণের খুব একটা ফারাক নেই।

ওয়াশিংটন পোস্ট বলেছে, তাদের রেকর্ড অনুযায়ী নির্বাচিত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৭৬ হাজার বার রেগে গিয়ে মিথ্যা বলেছেন বা বিভ্রান্তিমূলক কথা বলেছেন! বইটিতে লেখা হয়, ট্রাম্প সবসময় রেগে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে, ট্রাম্পের চারপাশের লোকদের কেউই ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ্য বলে মনে করেন না। এছাড়া সাংবাদিকদের অসংখ্য প্রশ্ন তো রয়েছেই!