আন্দোলন করলে সৌদি সরকার নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বৈশ্বিক মহামারি করোনার থাবায় স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন সেক্টর। সৌদিআরবে কর্মরত বাংলাদেশীরা দেশে এসে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।  ভিসা ও আকামার মেয়াদ শেষের দিকে আসলেও বিমান চলাচল এখনও স্বাভাবিক না হওয়ায় কর্মস্থলে যেতে পারছেন না তারা। এদিকে ভিসা ও আকামার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে সৌদি সরকারের কাছে চিঠি দিলেও এখনো কোন আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ এখনও আশাবাদী বলেও জানান তিনি। 

এর আগে মঙ্গলবার ভিসা ও আকামার মেয়াদ তিন মাস বাড়ানোর জন্য সৌদি আরবকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সৌদি এয়ারলাইন্সের সব বিমানকে আসার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ বিমানও প্রস্তুত আছে। আটকে পড়া প্রবাসীরা আন্দোলন করছে জানতে পারলে সৌদি সরকার তাদের ব্যাপারে নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তাই আন্দোলন না করারও অনুরোধ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সৌদিতে ফিরতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন সৌদি প্রবাসীরা। সকাল থেকেই রাজধানীর কারওয়ানবাজার এলাকায় ভিড় করতে থাকেন তারা। সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে অবস্থান নেন প্রায় এক হাজার সৌদি প্রবাসী।

এদিকে বুধবার আলোচনার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ভবনে যাওয়া প্রবাসীদের প্রতিনিধি দলের কাছে চলতি সমস্যা সমাধানের জন্য আগামী সোমবার পর্যন্ত  সময় চেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ। এ সময় তিনি বলেন, ইচ্ছেমতো ফ্লাইট পরিচালনায় বাধা নেই সৌদি এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের। বাংলাদেশ সরকার বিমানকে সৌদিতে  ফ্লাইট পরিচালনা করতে না দিলেও সৌদি এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে সমস্যা নেই।

ইত্তেফাক/এসআই