মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমীপে

বাবা-মা বা অভিভাবক অনেক আশা করে তাঁদের সন্তানদের একটা ভালো বিদ্যালয়ে পড়ানোর চেষ্টা করেন। সেই আশা নিয়ে আমার মতো অনেকেই মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সন্তান ভর্তি করেছেন। হঠাত্ করে বৈশ্বিক করোনা মহামারিতে অনেক কিছুই এলোমেলো হয়ে যায়। সন্তানদের লেখাপড়া থেকে শুরু করে আয়-রোজগারে ছন্দপতন ঘটে। তারপরও আশা করি, একসময় সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। সন্তানেরা আবার বিদ্যালয়ে যাবে। তবে বর্তমানে বিদ্যালয়ের বেতন পরিশোধ নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। পূর্বের নির্ধারিত বেতন পরিশোধ করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। বেতন পরিশোধ করতে না পারলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সন্তানদের লেখাপড়ার সুযোগ দেবেন কি না, এটা নিয়েও অনেকেই অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন। তাই সন্তানদের নিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে যে কয়েক মাস বিদ্যালয় বন্ধ, সেই কয়েক মাসের বেতন মওকুফ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

মো. আনোয়ার হোসেন

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট,

শেরে বাংলা নগর, ঢাকা ১২০৭