নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিতাসের আট কর্মকর্তা-কর্মচারী গ্রেফতার হওয়ার পর এবার আতঙ্কে প্রতিষ্ঠানটির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে বাসাবাড়িতে গ্যাস-সংযোগ দেওয়া বন্ধ থাকলেও অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দালালচক্র এখনো অবৈধভাবে বাসাবাড়িতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গ্যাস-সংযোগ ঠিকই দিয়ে যাচ্ছে। পুরো নারায়ণগঞ্জে প্রায় ৩০ শতাংশ গ্যাস-সংযোগ অবৈধ বলে একটি জরিপে জানা গেছে। বিভিন্ন কল-কারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে গ্যাস-সংযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিটি এলাকায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তিতাসের অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঁতাত করে বাসাবাড়িতে অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়। অবৈধ গ্যাস-সংযোগ দেওয়ার পর প্রতি মাসে ভাড়া বাবদ টাকাও আদায় করা হয়।
তিতাসের এনফোর্সমেন্ট টিম গ্যাস লাইনের সমস্যা অনুসন্ধান ও সমাধানের দিকে নজর না দিয়ে বরং প্রকৃত বিল গোপন করা, অবৈধ সংযোগ, মিটার টেম্পারিং ও নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের পেছনেই বেশি সময় ব্যয় করে বলেও অভিযোগ রয়েছে। নারায়ণগঞ্জে শত শত শিল্প প্রতিষ্ঠান অবৈধ গ্যাস-সংযোগের মাধ্যমেই চলছে। ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ গ্যাস-সংযোগ দিয়ে তিতাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন।