অনলাইন ক্যাসিনোর মাধ্যমে সেলিম প্রধানের অবৈধভাবে উপার্জিত ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৮৯ হাজার ১৪৬ টাকা বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিজের কাছে রাখার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা মামলার তদন্তে এর সত্যতা পায় সিআইডি। মামলাটির তদন্ত শেষে সেলিম প্রধানসহ ৬ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিআইডি। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আক্তারুজ্জামান, রোমান, আরিফুর রহমান ওরফে সীমান্ত আরিফ, চৌধুরী গোলাম মাওয়ালা ওরফে শাওন এবং ইয়াংসিক লি।
সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জিসানুল হক জানান, অনলাইন ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধভাবে উপার্জিত বিপুল পরিমাণ অর্থ ও দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের উদ্দেশ্যে রাখার দায়ে ২০১৯ সালের ২ অক্টোবর রাজধানীর গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে সেলিম প্রধানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তকালে আসামি সেলিম প্রধানের ৬ কোটি টাকার ২টি চেক উদ্ধারসহ ৯টি বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও থাইল্যান্ডে তার একটি বাগান বাড়ির সন্ধান পাওয়া যায়। এছাড়া আসামিদের ৮৩টি ব্যাংক একাউন্টের তথ্য সংগ্রহ এবং ফ্রিজ করা হয়েছে।