গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা সড়ক

৩৫ কিলোমিটার জুড়ে খানাখন্দ চলাচলে চরম দুর্ভোগ

মির্জাপুরের গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা সড়কের ৩৫ কিলোমিটার জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। ভাঙা রাস্তা ও জলাবদ্ধতার কারণে বেড়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। এ পথে চলাচল করা যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ মির্জাপুর উপবিভাগীয় অফিস সূত্র জানায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা সড়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক। পাহাড়ি এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে আশির দশকে রাস্তাটি সরু আকারে নির্মিত হয়। এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তাটি প্রশস্ত ও সংস্কার করা হয়। গত কয়েক বছরের ব্যবধানে রাস্তাটি বেহাল হয়ে পড়েছে। আজগানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুর ইসলাম সিকদার এবং বাঁশতৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান মিলটন জানান, এ সড়ক দিয়ে মির্জাপুর, সখীপুর, বাসাইল, ঘাটাইল, মধুপুর, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, ভালুকা, ত্রিশাল, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর ও গাজীপুরের হাজারো যানবাহন নিয়মিত চলাচল করে আসছে। বৃহত্তর পাহাড়ি এলাকার চলাচলের একমাত্র এ রাস্তাটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে চলাচলে হাজার হাজার যাত্রীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রাস্তার আশপাশে রয়েছে বৃহত্তর হাঁটুভাঙ্গা, বাঁশতৈল, তক্তারচালা, কাইতলা, গারোবাজার, দেওদীঘি, সাগরদীঘি, কচুয়া হাটবাজার এবং শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই রাস্তার হাঁটুভাঙ্গা, বেলতৈল, হোসেন মার্কেট, নয়াপাড়া, পেকুয়া, তক্তারচালা, দেওদীঘি, সখীপুর, গারোবাজারসহ বিভিন্ন অংশ থেকে ঢালাই উঠে বড় বড় গর্ত হয়ে জলাবদ্ধতায় সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা রাস্তায় যানবাহন আটকে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা ৩৫ কিলোমিটার রাস্তা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান। সড়ক ও জনপথ বিভাগ টাঙ্গাইল অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, টানা বৃষ্টি ও বন্যাজনিত কারণে গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রকল্প তৈরি করে অর্থ বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হবে।