মহেশপুর ও জীবননগর সীমান্তপথে অবৈধভাবে মানুষ পারাপার বেড়েছে

ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত পথে অবৈধভাবে মানুষ পারাপার বেড়েছে। আর প্রায় প্রতিদিনই বিজিবির হাতে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের সময় নারী-পুরুষ ও শিশু আটক হচ্ছে। বিজিবির ঝিনাইদহের খালিশপুর-৫৮ ব্যাটালিয়ন থেকে বিভিন্ন মিডিয়ার প্রতিনিধিদের কাছে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। বিজিবি সূত্র জানায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর মহেশপুর উপজেলার লড়াইঘাট সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ১১ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে আটক করে বিজিবি, ১৩ সেপ্টেম্বর মহেশপুরের কাঞ্চনপুর থেকে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়, একই দিন সীমান্ত পার হওয়ার সময় নারী-পুরুষ ও শিশুসহ আরো ১০ জনকে আটক করে বিজিবি। একই সঙ্গে তিন দালালকে আটক করা হয়। তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ ও নড়াইল জেলার বিভিন্ন গ্রামে, ঐদিন জীবননগর উপজেলার পাথিলা সীমান্ত এলাকা থেকে দুই জন নারীকে, ১৬ সেপ্টেম্বর মহেশপুরের হুদাপাড়া গ্রাম থেকে দুই নারীকে, একই দিন অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় কালী দাসী মণ্ডল নামের এক ভারতীয় নারীকে আটক করে বিজিবি, ১৭ সেপ্টেম্বর মহেশপুরের খোশালপুর সীমান্ত এলাকা খেকে ১৮ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে আটক করে বিজিবি। তাদের বাড়ি বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন এলাকায়, ১৮ সেপ্টেম্বর মহেশপুরের মাইলবাড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে পাঁচ বাংলাদেশিকে, ১৯ সেপ্টেম্বর জীবননগরে একটি বাস তল্লাশি করে বাবুল পাল নামের এক ভারতীয় নাগরিককে এবং ২১ সেপ্টেম্বর মহেশপুরের সরিষাডাঙ্গা গ্রাম থেকে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় চার জনকে আটক করে বিজিবি। বিজিবির খালিশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কামরুল আহসান বলেন, দালালরা সীমান্ত পার করে দেওয়ার জন্য মাথাপিছু ১০-১৫ হাজার টাকা চুক্তিতে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে আসে। গরু চোরাচালান বন্ধ হওয়ার পর চোরাচালানিরা মানুষ পারাপারে নেমেছে। বিজিবির হাতে মানুষ পাচারকারী দালালরাও গ্রেফতার হচ্ছে বলে তিনি জানান।