সময় বৃদ্ধি পেয়েও ডোমার উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামে চুক্তিবদ্ধ ৪৯ মিলার চাল সরবরাহ করেনি। চুক্তিবদ্ধ মিলাররা জানান, দাম বেশি হওয়ার কারণে চাল সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। চলমান ধানের বাজারে ধান কিনে চাল উত্পাদনে খরচ হচ্ছে ৪০ হতে ৪২ টাকার মতো। আর সেখানে সরকার চাল ক্রয়ের দর দিচ্ছে ৩৬ টাকা। এই অবস্থায় খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করলে প্রতি কেজিতে পাঁচ থেকে সাত টাকা লোকশান গুনতে হবে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মাহমুদ হাসান বলেন, চাল সরবরাহের সময়সীমা বাড়ানোর পরেও চুক্তিবদ্ধ ৪৯টি মিলার চাল সরবরাহ করেনি। যেসব মিলার খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করেনি তাদের তালিকা খাদ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।