উপজেলার দহপাড়া গ্রামের বড়াল নদীর ওপর নেই সেতু। ফলে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে ১৫ গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে। মণ্ডুতোষ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ বলেন, সেতুর অভাবে নদীর দুই পাড়ের কৃষকদের উত্পন্ন ফসল তাদের ঘরে তুলতে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। এতে উত্পাদন খরচ অনেক বেড়ে যায়। দহপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাই সরকার বলেন, বন্যার সময় শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পারাপার হয়। এ ব্যাপারে এলজিইডির ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রকৌশলী আফ্রোজা খাতুন বলেন, সেতুটি নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া আছে।