একজন হচ্ছেন শফিকুল ইসলাম মানিক। সাবেক তারকা ফুটবলার। বাফুফের নির্বাচনে কাজী সালাহউদ্দিনের বিপক্ষে সভাপতি প্রার্থী। আরেকজন হচ্ছেন সালাহউদ্দিনের প্যানেলের সহসভাপতি প্রার্থী ফুটবলে নতুন মুখ আতাউর রহমান মানিক। এই দুজনই ফুটবল নির্বাচনে নিজের অবস্থানের কথা জানাতে দুপুরে শফিকুল ইসলাম মানিক এবং বিকালে আতাউর রহমান মানিক নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
শফিকুল ইসলাম মানিক তার নির্বাচনী ইশতেহারে জানিয়েছেন, তিনি সভাপতি হলে ২১ জনকে নিয়ে কাজ করবেন। এ কারণেই ২১টি উন্নয়ন প্রকল্প দিয়েছেন। মানিকের ব্যালট নম্বর ৩ এবং বাফুফের নির্বাচন ৩ অক্টোবর। তাই ভিশন ২০৩৩ ঘোষণা করেন মানিক। রাজধানীর একটি হোটেলে তিনি বলেন, ‘আমি কাজের মানুষ, কাজের প্রলোভন দেখিয়েছি। কাউন্সিলররা অনৈতিক কাজে যাবেন না। চার বছরে ফুটবলে একটা লিংক তৈরি করে দেব যেটা নিয়ে এগিয়ে গেলে ১২ বছর পর না হোক ১৬ বছর পর এশিয়ান গেমস ফুটবলে খেলবে বাংলাদেশ।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমার ঘরে দুই বছর দুই মাসের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে, তাকে ফুটবলে দেব। আমি আমার জীবনের চেয়েও ফুটবল বেশি ভালোবাসি। ডাকসু নির্বাচন জয়ী হলেও পরের বার হেরেছিলাম নৈতিক অবস্থানের কারণে, খেলোয়াড় কিংবা ফুটবল কোচ হয়ে যেখানেই কাজ করেছি শৃঙ্খলার মধ্যে ছিলাম। আমার ৪০ বছর ক্যারিয়ারে দাবি করতে পারি সততা, নৈতিকতা এবং দক্ষতা আমার আছে। কাউন্সিলরদের বলছি আমাকে সুযোগ দিন। চার বছর পর আমি থাকব না।’
ইশতেহার ঘোষণা করে মানিক ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।
নতুন মুখ মানিকের কঠিন লড়াই
চারটি সহসভাপতি পদে আট জন লড়াই করছেন। অন্যদের প্রতি সমীহ করে আতাউল হক মানিক নিজেকে ৮ নম্বর মনে করেন। দেশের ফুটবলে কাজ করতে এসেছেন একটা স্বপ্ন নিয়ে। কীভাবে একটা টিম হয়ে কাজ করা যায় সেই কথাগুলো নিপুণতার সঙ্গে মেলে ধরেছেন সংবাদমাধ্যমের কাছে। গতকাল দুপুরে কাকরাইলে নিজস্ব অফিসে তমা গ্রুপের কর্ণধার মানিক বলেন, ‘এখানে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী সবাই পুরোনো। কঠিন লড়াই হবে। হারতেও পারি জিততেও পারি।’ তিনি বলেন, ‘বাস্তবতা মেনে নিয়ে কাজ করতে হবে। জেলায় মাঠ আছে, ঢাকায় মাঠ নেই। ছেলেমেয়েরা কম্পিউটারে ঢুকে গেছে। অভিভাবকরা নিরাপত্তাহীনতার কারণে সন্তানকে মাঠে পাঠাতেও চায় না। খেলোয়াড় তৈরির কারখানা করতে হবে। জেলাগুলোতে বয়সভিত্তিক খেলা হলে ফুটবলে একটা ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হবে। খেলোয়াড় উত্পাদন সক্ষমতা বেড়ে যাবে। ডিএফএতে যারা আছেন, তাদের দিয়েই খেলা আয়োজন করতে হবে।’