পুরো বিশ্ব যখন করোনা আতঙ্কে স্তিমিত হয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই ঘরবন্দি কিছু মানুষের মধ্যে জেগে উঠেছে নতুন কিছু করার স্বপ্ন। তারা অন্য ঘরবন্দিদের প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে শুরু করে অনলাইন ও অফলাইন ব্যবসা-বাণিজ্য। কেউ প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য, কেউ নিজের তৈরি হরেক বাহারের পিঠাপুলি, কেউবা প্রয়োজনীয় পোশাক বা শখের গহনা, আর্ট ও ক্রাফটসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে উপস্থিত হয়। এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে, এক শহর থেকে আরেক শহরে পৌঁছে যায় গ্রহীতার চাহিদামাফিক জিনিস। ঘরবন্দি সময়, বেকার তরুণ-তরুণীদের খুলে দিয়েছে সম্ভাবনার এক নতুন দ্বার। আজ তাদের অনেকেই হয়ে উঠেছে সাহসী উদ্যোক্তা।
আমাদের দেশে অনেক কাজ আছে। কিন্তু যে কোনো ছোট কাজ কিংবা ব্যতিক্রমধর্মী কাজকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হয় এবং অনুত্সাহিত করা হয়। আমরা এত পিছিয়ে আছি এই অবমূল্যায়নের কারণেই। যে জাতি যতদ্রুত ছোট-বড় যে কোনো কাজকে মূল্যায়ন করতে শেখে, তারা তত শীঘ্রই উন্নতি লাভ করে। আমাদের উচিত, নতুন উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের কাজে উত্সাহ জোগানো। যাতে তারা তাদের আজকের ক্ষুদ্র কর্ম উদ্যোগকে ছড়িয়ে দিতে পারে বিশ্ব পরিমণ্ডলে।
তাসমিদা মাহমুদ
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়