আসছে দুর্গাপূজা

দুশ্চিন্তায় কামারখন্দের প্রতিমাশিল্পীরা

প্রতি বছরই কামারখন্দে উত্সবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়; কিন্তু এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে উত্সবে কিছুটা ভাটা পড়বে বলেই মনে করছেন প্রতিমা তৈরির কারিগররা। একই সঙ্গে উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ বছর প্রতিমা তৈরিতে খরচ বেশি পড়ছে। তাই বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন উপজেলার প্রতিমাশিল্পীরা।  উপজেলার ভদ্রঘাট পালপাড়ায় দেখা গেছে, প্রতিমা তৈরির কারিগররা খর, বাঁশ ও কাঠ দিয়ে প্রতিমার গঠন তৈরির পর তাতে মাটির প্রলেপ লাগাচ্ছেন। কিছুদিন পর প্রতিমায় দেওয়া হবে রংতুলির আঁচড়। গ্রাহকরা প্রতিমার অর্ডার দিতে এলেও কিছু কিছু গ্রাহক দাম বেশি হওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন। আবার কেউবা চড়া দামেই প্রতিমার অর্ডার দিয়ে যান। কারিগর শ্রীকান্ত পাল জানান, প্রতি বছর দুর্গাপূজার চার/পাঁচ মাস আগে থেকে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করি; কিন্তু এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে পূজা হবে কি হবে না বিষয়টি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে ছিলাম। যখন ওপর মহল থেকে পূজা হবে বলে ঘোষণা এলো তখন সময় মাত্র দেড় মাস। তবে এত অল্প সময়ের মধ্যে চাহিদা মতো প্রতিমা তৈরি করতে পারব না। একই এলাকার পলান চন্দ্র পাল জানান, খড়, বাঁশ ও কাঠের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের তুলনায় প্রতিমা তৈরিতে খরচ পড়ছে; কিন্তু ক্রেতা দাম কম বলছে। খুব দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি। প্রতিমা তৈরি করার পর বিক্রি করতে না পারলে লোকসান গুনতে হবে। উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি শিশির কুমার সাহা বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ২৫টি মণ্ডপে পূজা হবে। পূজাকে উত্সবমুখর করতে নানা প্রস্তুতিও চলছে বলে জানান তিনি।