জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে আরো বেশি করে তথ্যে অধিকার পাওয়ার সুযোগ এবং সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শিক্ষক, পেশাজীবী এবং একটিভিস্টদের নিয়ে একটি গবেষণা গ্রুপ গঠন করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে তথ্য অধিকার ফোরাম। তথ্য অধিকার ফোরাম আয়োজিত একটি অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বক্তারা বলেন, ‘তথ্য অধিকার আইন প্রণয়নের এক দশক পরে এটি অপরিহার্য হয়ে দেখা দিয়েছে যে, আরটিআই আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে তথ্য অধিকারবিষয়ক জ্ঞান, দেশে জবাবদিহিমূলক শাসনকে জোরালো করবে। গতকাল মঙ্গলবার তথ্য অধিকার ফোরাম আয়োজিত অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠানটি ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য তথ্য জানার অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমেদ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এবং ফোরামের আহ্বায়ক শাহীন আনাম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এমআরডিআই নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান, আরটিক্যাল ১৯-এর নির্বাহী ফারুখ ফয়সাল, বিএনএনআরসির প্রধান নির্বাহী এ এইচ এম বজলুর রহমান, কোস্ট নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী, আরআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. মেঘনা গুহ ঠাকুরতা, টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, নিজেরা করির সেক্রেটারি খুশি কবীর এবং সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান। এমজেএফের পরিচালক নলেজ ম্যানেজমেন্ট ড. রিজওয়ান উল আলম তথ্য অধিকার আইন সংক্রান্ত গবেষণা কাজ ২০১৯-২০২০ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, তথ্য অধিকার আইন নিয়ে যারা গবেষণা করছেন এবং যারা এটা নিয়ে কাজ করছেন তাদের মধ্যে বিবলিওগ্রাফি, গবেষণা সারাংশ—সব একত্রিত করে একটি অনলাইন নলেজ বেজ তৈরি করা দরকার।
প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমেদ বলেন, মানুষকে আরো জানাতে হবে যে, তাদের জানার অধিকার কেন দরকার। এমজেএফের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, ‘তথ্য অধিকারের অধিকার হচ্ছে এমন একটি মানবাধিকার, যা অন্যান্য অধিকার অর্জনের জন্য জরুরি। সরকারের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার জন্য খুব দরকার। তবে এটাও দুঃখজনক যে, আমরা এই আইনকে ১০ বছরেও মানুষের সঙ্গে জড়িত করতে পারিনি। মানুষও সব সময় উত্তর না পেয়ে অনাগ্রহী হয়ে উঠেছে। সেজন্য আমাদের ট্র্যান্সফরমেশনাল চেঞ্জের জন্য কাজ করতে হবে।’