ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীর প্রতিরক্ষা (ওয়াপদা) বাঁধটি কেটে দেওয়ায় চলাচল বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে ঐ এলাকার কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পূর্বধনিরাম গ্রামের স্লুইস গেটের পশ্চিম পাশে ছাটকুঠি এলাকাসহ ফুলবাড়ী উপজেলায় টানা এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টিপাতের সময়ে গত সোমবার গভীর রাতের কে বা কারা ওয়াপদা বাঁধটি কেটে দেয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ২০০ হাত ওয়াপদা বাঁধটি ভেঙে গিয়ে নদীগর্ভে পরিণত হয়ে প্রচণ্ড বেগে বন্যার পানি প্রবাহিত হতে থাকে সেখানে। এরই মধ্যে ঐ এলাকার নুর মোহাম্মদের বসতবাড়ি ভেঙে গেছে। হুমকির মধ্যে রয়েছে সিরাজুল ইসলাম, বাবলু মিয়া, বজলে ও ফজলের বসতবাড়ি। চার দিন ধরে পূর্ব-ধনিবাম ও পশ্চিম ধনিবার এখন সম্পূর্ণভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। স্থানীয় জহুরুল হক, রহমত আলী, মজিবর রহমান ও রাকিবুল হাসানসহ অনেকে জানান, এ নিয়ে ঐ এলাকায় তিন থেকে চার বার ওয়াপদা বাঁধ কেটে দিয়েছে। কিন্তু পাশেই স্লুইস গেট দিয়ে পানি নিয়মিতভাবে নিষ্কাশন হলেও কেন বাঁধটি কেটে দেওয়া হলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। বাঁধটি দ্রুত মেরামত দাবি জানিয়েছেন তারা। বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খয়বর আলী জানান, রাতের আঁধারে কে বা কাহারা এই বাঁধটি কেটে দিলো আমার জানা নেই। তবে যারা এ কাজটি করেছে তারা এটা অন্যায় করেছে। তবে এ নিয়ে ওয়াপদা বাঁধটি তিন থেকে চার বার কেটে দিলো। এখন সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তৌহিদুর রহমান জানান, বিষয়টি কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। তারা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।