একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিল কেপিএম ধ্বংসের মূল হোতা এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. এম এম এ আব্দুল কাদেরকে অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে কাপ্তাই উপজেলার জনপ্রতিনিধিরা। শুক্রবার দুপুরে কাপ্তাই উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মফিজুল হক। চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম বেবি, রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মো. হানিফ, কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হানিফ বাবু, সাবেক রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য কাপ্তাই আওয়ামী পেশাজীবী লীগের আহ্বায়ক প্রকৌশলী রুবায়েত আক্তারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন কেপিএমকে বাঁচানো হবে। এজন্য গত অর্থবছরে ৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দও দেওয়া হয়। অথচ কেপিএম এমডি বলেছেন, মিলটি বন্ধ হয়ে যাবে। মিলটি বন্ধ করতে নানান পাঁয়তারাও করছেন তিনি। বন্ধ করেছেন প্রতিষ্ঠানের পাল্প মেশিনসহ নানান যন্ত্রাংশ। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সর্বশেষ বেসরকারি টিভি চ্যানেল যমুনা টিভির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জনপ্রতিনিধিদের নামে মিথ্যা, ভিত্তিহীন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, টেলিভিশনের প্রতিবেদনে কেপিএমের এমডি কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মফিজুল হক ও চন্দঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার ইসলাম চৌধুরী বেবীকে জড়িয়ে মাদক পাচার, মাদক ব্যবসা এবং তাদের নিজ বাসায় মাদকের আখড়া ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ করেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশে প্রণোদিত। তাই সরকারের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ কলটিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এবং এই এলাকার মানুষকে রক্ষা করতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে কেপিএম এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানান তারা।