আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক আজ শনিবার সকাল ১০টায় গণভবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৭৫ সদস্যের মধ্যে দলীয় সভানেত্রী ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৩২ জন নেতা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। ৩১ নেতার নমুনা সংগ্রহ করে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ৯ মার্চ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতি তিন মাস অন্তর বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও করোনা সংক্রমণের কারণে এবার সাত মাস পর বৈঠক হচ্ছে।
জানা গেছে, করোনা মহামারির কারণে পরিবর্তিত বাস্তবতায় সাংগঠনিক তত্পরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বৈঠক হচ্ছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সাতটি জেলা শাখা পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দিতে পারেনি। সম্মেলন হওয়া ৩১ জেলার মধ্যে কমিটি জমা দিয়েছে ২৪টি। পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দিতে চার দফায় সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয় কেন্দ্র থেকে। সর্বশেষ সময়মীসা ছিল গত ২৩ সেপ্টেম্বর।
সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সহযোগী সংগঠন ও সম্মেলন হওয়া জেলা কমিটিগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন, সম্পাদকীয় বিভাগীয় উপকমিটি অনুমোদন, দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়া জেলা-মহানগর-উপজেলা কমিটির দ্রুত সম্মেলনের মাধ্যমে দলকে তৃণমূল পর্যন্ত শক্তিশালীকরণ, প্রেসিডিয়াম সদস্যদের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত বিভাগভিত্তিক সাংগঠনিক কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদনসহ জাতীয় ইস্যু ও সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পাশাপাশি যেগুলো জেলা-মহানগর কমিটির সম্মেলন শেষে প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে জমা দিয়েছে, এসব কমিটি নিয়ে বিতর্কিত, অনুপ্রবেশকারী কিংবা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারীদের ঠাঁই হয়েছে, এমন অভিযোগ জমা পড়েছে। তা নিয়ে চূড়ান্ত গাইডলাইন দেবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ সম্মেলন হওয়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়া ভবিষ্যতে পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।