রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নে একটি ব্রিজের সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তিস্তার পাঁচটির চরের হাজারও মানুষ। নির্মাণের কয়েক বছর পর বন্যার পানিতে ব্রিজের সংযোগ সড়কটি ভেঙে গেলে তা আর সংস্কার কিংবা পুননির্মাণ করা হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রংপুরের কাউনিয়া তকিপল বাজার থেকে উত্তর দিকে আরাজি হরিশ্বর, গোপিডাঙ্গা গ্রামের মাঝখানে তিস্তার মরা নদীর ওপর কোনো সেতু না থাকায় এলাকাসী এবং জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে দীর্ঘদিন লোকজন যাতায়াত করতো। পরে এলাকাবাসীর দাবির মুখে ২০১৪ অর্থ বছরে ইউএসএআইডি ও সরকারের অর্থায়নে ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা হয়। যা বাস্তবায়ন করে কেয়ার বাংলাদেশ ও এলজিইডি। সেতুটি নির্মাণের পর কয়েক বছরেই ওই এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য পরিবহন এবং যাতায়াতে উন্নত হয় ওই এলাকার কৃষি। কিন্তু উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে এবং তিস্তা নদীর পানির তোড়ে সৃষ্ট বন্যার ব্রিজটির দুই পাশের সংযোগ সড়ক ধসে যায় এবং ব্রিজটির একপাশ দেবে যায়। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরও ব্রিজটির সংযোগ সড়কসহ মেরামত করা হয়নি ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি।
বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বলেন, সংযোগ সড়ক মেরামতের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। তারা পরিদর্শন করেছেন।
কাউনিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. আসাদুরজ্জামান জিমি বলেন, তিস্তা নদীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সেতু, রাস্তাসহ সকল তথ্য রংপুর নির্বহী প্রকৌশলীকে লিখিত ছক করে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে।
কাউনিয়া উপজেলা ভারপ্রপ্ত উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুরজ্জামান জানান, উপজেলায় তিস্তা নদীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সেতু, রাস্তাসহ সকল তথ্য সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ পেলে সংস্কার কাজ করা হবে।
ইত্তেফাক/এসি