সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় এজাহার নামীয় আসামিদের মধ্যে এবার ২ আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ পাহারায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ দুজন পুলিশের কাছে ৫ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।
এর আগে ধর্ষণ মামলায় পুলিশ বৃহস্পতিবার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, রাজন মিয়া এবং আইনুদ্দিনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে। আসামিদের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূর ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে।
সিলেটে কিশোরী ধর্ষণ
নগরীর দাঁড়িয়াপাড়ায় বাসার ছাদে কিশোরী (১৪) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। কিশোরী বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি রয়েছে।
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সিলেটে এরূপ আরেকটি ঘটনা ঘটলো।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাকিব হোসেন নিজু (২০) সিলেটের মদন মোহন কলেজের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে। রকিব দাড়িয়াপাড়ায় বসবাস করে।
ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মায়ের অভিযোগ, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর কিশোরীকে বাসার ছাদে ধর্ষণ করে ওই কিশোর। এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
লেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (গণমাধ্যম) জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, ঘটনা ঘটে ২৯ সেপ্টেম্বর। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ভিকটিমের পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। মেয়েটি স্কুল ছাত্রী। ছেলেটি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করে বলে জানিয়েছেন তার মা। শুক্রবার ভুক্তভোগীর পরিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
ইত্তেফাক/ইউবি