সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে ধর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই নগরীর দাড়িয়াপাড়ায় বাসার ছাদে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঐ কিশোরী বর্তমানে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি রয়েছে। সিলেটে পর পর এরূপ ঘটনায় অভিভাবকসহ সুধীসমাজ বিস্মিত। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাকিব হোসেন নিজু (২০) সিলেট মদন মোহন কলেজের শিক্ষার্থী। ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সূত্র জানায় এবং সে দাড়িয়াপাড়ায় বসবাস করে।
ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মায়ের অভিযোগ—বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর কিশোরীকে বাসার ছাদে ধর্ষণ করে ঐ কিশোর। এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) জ্যোতির্ময় সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনা ঘটে ২৯ সেপ্টেম্বর। গত শুক্রবার রাতে ভিকটিমের পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। মেয়েটি স্কুলছাত্রী। শুক্রবার ভুক্তভোগীর পরিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
১২ বছরের আরেক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, মামলার আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আলটিমেটাম:
এদিকে নগরীর জালালাবাদ ইউনিয়নে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ বছরের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলার আসামি এখলাস ও জসিম এবং তাদের সহযোগী আশিক আলী, হারুন মিয়া, ইমদাদ আলী, জালাল মিয়া গংদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ সিলেটের নেতৃবৃন্দ।
শনিবার সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জালালাবাদ থানা শাখা ও পূজা উদ্যাপন পরিষদ সিলেট সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে এই দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ১২ বছরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও মামলার এজাহার নামীয় দুই আসামিসহ অপরাপর আসামিদের এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে করে জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্বেগ হচ্ছে।