গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, প্রায় দেড় লাখ মানুষ পানিবন্দি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সাদুল্লাপুর সুন্দরগঞ্জ ও সাঘাটার উপজেলায় শনিবার (৩ অক্টোবর) সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত ছিল। এসব উপজেলার প্রায় দেড় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। তাদের দুর্ভোগ ও দুর্দশা বৃদ্ধি পেয়েছে। অসময়ের চতুর্থ দফা এই বন্যায় ১৬ হাজার ৮৬০ হেক্টর অমন ধান ও শাকসবজি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এদিকে গত চব্বিশ ঘণ্টায় করতোয়া, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি কমেছে।

শনিবার বিকেল চারটায় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাখালি পয়েন্টে করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ১১০ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নিউ ব্রিজ রোড পয়েন্টে ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। 

গাইাবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, গত চব্বিশ ঘণ্টায় করতোয়ার পানি ৬ সেন্টিমিটার, ঘাঘটের পানি ৭ সেন্টিমিটার কমেছে। এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার ও তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

আরও পড়ুন: রিফাতকে রক্ষায় নয়ন বন্ডকে ঠেকাতে অভিনয় করেছে মিন্নি!

গাইবান্ধা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা একেএম ইদ্রিস আলী জানান, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সাদুল্লাপুর সুন্দরগঞ্জ ও সাঘাটার উপজেলায় ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫০০ লোক পানিবন্দি হয়ে আছে। তাদের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত আছে।  

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান জানান, বন্যার পানিতে জেলায় ১৬ হাজার ১২৫ হেক্টর জমির রোপা আমন, ৫৫৫ হেক্টর শাকসবজি ও ১৮০ হেক্টর জমির মাস কালাই নিমজ্জিত হয়েছে।

 ইত্তেফাক/এএএম