g রুবেল কান্তি
শচীন-পন্টিং
‘ক্রিকেট বল।’
‘ক্রিকেট ব্যাট।’
‘বল-ই সেরা।’
‘কিছুতেই না।’
‘তাহলে?’
‘ব্যাট-ই সেরা।’
‘সেরা খেলোয়াড় শচীন তেন্ডুলকার।’
‘ধুর ছাই!’
‘কে সেরা?’
‘রিকি পন্টিং।’
মাঠে খেলা চলছে। পুরো বিশ্ব কাঁপছে সেই জ্বরে। এদেশের গ্রাম থেকে শহরও পিছিয়ে নেই। পিছিয়ে নেই উন্মাদনায় মাতবার জন্য।
পুরো দেশের সিংহভাগ লোকই দুটো প্রধান ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। শচীন। পন্টিং। হাটে-মাঠে-ঘাটে-বাজারে এটা নিয়ে একে অন্যের সাথে তুমুল বিতর্ক হচ্ছিল।
এক পক্ষ শচীন তেন্ডুলকারের ছবি সংবলিত দশ হাত সাইজের ব্যানার বানালে, অন্য পক্ষ পন্টিংয়ের ছবি দিয়ে বিশ হাত সাইজের ব্যানার বানাচ্ছিল।
শচীন সমর্থক জোট-পন্টিং সমর্থক জোটের সদস্যরা তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হলো। পরিণামে শুরু হলো ধুন্ধুমার মারামারি। ঘটনাস্থলেই নিহত হলো বেশ কয়েকজন।
ওদিকে শচীন-পন্টিংরা জানতেও পারলেন না যে, তাদের জন্য বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে কিছু অন্ধ সমর্থক অহেতুক মারামারি করে অকালেই পটল তুলেছে!