n নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন
সোহেল সারোয়ার চঞ্চল
চতুর্থ বারের মতো বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে কাজী সালাহউদ্দিন অভিনন্দনে ভাসছেন। তার ফোনে হাজারখানেক ম্যাসেজ এসেছে। ৯৪ ভোট পেয়েছেন তিনি। অভিনন্দনবার্তা জানাতে ফোন আসছে। বাফুফে ভবনে গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা দিচ্ছে বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠন। সেখানে সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেন সালাহউদ্দিন।
প্রশ্ন করা হয়েছিল আপনার বিরুদ্ধে প্রচুর সমালোচনা। এই চার বছরে সমালোচনার জবাব কীভাবে দিতে চান? সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমি কাউকে জবাব দিতে আসিনি। সমালোচনা আপনি করতে পারেন। বুঝে করেন, না বুঝে করেন। এটা তো কোনো প্রশ্ন হলো না, মানুষকে আমি জবাব দেব। আমি তো জবাব দিতে আসিনি।’
সালাহউদ্দিন বললেন, গত প্রতিটি নির্বাচনেই তার ভোট বেড়েছে, ‘ফুটবলের কর্মকাণ্ড মাঠেই হচ্ছে। ফুটবল ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়াতে হয় না। ফুটবলের সঙ্গে ডাইরেক্ট জড়িত ক্লাব, জেলা, বিভাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১৪০ জন। তারাই আসল। নির্বাচনটা হয় ১৪০ জনকে নিয়ে। যারা ফুটবলের সঙ্গে জড়িত। আমি দেখছি ২০০৮ সালে যে ভোট পেয়েছিলাম ২০১৬ তে আরো বেশি পেয়েছি। ২০২০ সালে এসে আরো বেশি ভোট পেয়েছি। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া আমাকে বকাবকি করছে। এটা ওদের অভ্যাস।’
জেলা ফুটবল নিয়ে আলাদা নজরদারি বাড়ানোর নানা প্রশ্নের জবাবে কথা বলেন বাফুফেপ্রধান। তিনি বলেন, ‘নজরদারি আছে। আরো বেশি নজরদারি বাড়াতে গেলে আপনাকে এটাও বুঝতে হবে আমার কতটুকু অধিকার আছে।’
জেলা ফুটবলের দিকে আঙুল তুলেছেন কাজী সালাহউদ্দিন। কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। নিয়মিত লিগ আয়োজন করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা একটা ফরমুলায় ফেলব। পর পর দুই বছর লিগ না হলে কাউন্সিলরশিপ বাতিল। এটা ফিফাতেও আছে। আমি যদি প্রথম থেকেই সব নিয়ম করতাম তাহলে আপনারাই আমাকে মারতে আসতেন।’
লিগ না হলে ভোট দিতে পারবেন না ভোটাররা। সালাহউদ্দিন বললেন, ‘আমি যদি লিগ আয়োজন করতে না পারি তাহলে কি ফিফার সভাপতিকে কেউ জিজ্ঞেস করে? আমাকেই জিজ্ঞেস করে। কার দায়? আমার। আমি জেলার সভাপতিকে বলব, তারা যেন নিয়মিত খেলাটা আয়োজন করে।’
আগের সালাহউদ্দিন আর এখনকার সালাহউদ্দিনের মধ্যে পার্থক্য কী হবে? তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালে যখন লিগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে ১২ বছরে লিগ নিয়মিত হয়েছে—একই কথা বারবার বলছি। এখন কাজ হবে এটা আরো হাইস্পিড করা।’