বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন

দুই দিনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন

বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার রাত পর্যন্ত উপজেলার অর্ধশতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয় মহিবুল ইসলাম মান্না হাওলাদার জানান, তেঁতুলিয়া নদীর অব্যাহত ভাঙনের শিকার হচ্ছে ধুলিয়া ইউনিয়নবাসী। গত দুই দিনে প্রায় অর্ধশত বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীতে চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। ভাঙনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভাসমান পরিবারের সংখ্যা। ঐসব পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই মিলছে আশপাশের গ্রামের সড়কের পাশে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার রাত পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর তীব্র ভাঙনে ধুলিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় সুমন গাজী, বিকাশ রায়, স্বপন মিস্ত্রি, কৃষ্ণ দাস, রতন রায়, নয়ন গাজীসহ একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকায় পান্নু মোল্লা বাড়ির পাঁচটি ঘর ও একটি মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়াও ধুলিয়া দাখিল মাদ্রাসার এক তৃতীয়াংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। ইতিমধ্যে মাদ্রাসার টিনশেট ভবনের বাকি অংশ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান জানান, একনেকের সভায় বাউফলের ধুলিয়া লঞ্চঘাট থেকে বাকেরগঞ্জের দূর্গাপাশা পর্যন্ত ভাঙন রোধে টাকা বরাদ্দ হয়েছে। চলতি বছরের জুন থেকে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদন রয়েছে। খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে যাতে কাজ শুরু করা যায় সে প্রক্রিয়া চলছে।