কিউরেটর ছাড়াই চলছে শেরেবাংলা

স্পোর্টস রিপোর্টার

গত ১৯ জুলাই থেকে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। আগস্টের শেষদিকেই শুরু হয়ে গেছে সেন্টার উইকেটে অনুশীলন। সেপ্টেম্বরে ঢাকায় চলে এসেছেন জাতীয় দলের সব বিদেশি কোচ। মিরপুরে এখন অনুশীলনের পাশাপাশি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। আজ শুরু হবে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ। ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে ত্রিদলীয় ওয়ানডে সিরিজ। নভেম্বরে মাঠে গড়াবে করপোরেট লিগ।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে, করোনার ভয়কে জয় করে অনেকটা পুরোদমেই সরব এখন ক্রিকেটাঙ্গন। এবং পুরো পরিকল্পনাই হচ্ছে হোম অব ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে। কিন্তু অনুশীলন-ম্যাচের জন্য মাঠ তৈরি, উইকেট তৈরির কাজ করছেন গ্রাউন্ডসম্যানরা। কারণ শেরেবাংলার প্রধান কিউরেটর গামিনি ডি সিলভা নেই বাংলাদেশে। গত মে মাসের শেষদিকে নিজ দেশ শ্রীলঙ্কায় ফিরে গেছেন তিনি। এখনো ফিরেননি।

প্রশ্ন উঠেছে, যদি দেশীয় গ্রাউন্ডসম্যানরা এতকিছুই পারেন, তবে লাখ-লাখ টাকা ব্যয়ে বিদেশি কিউরেটর রেখে লাভ কী? প্রধান কিউরেটরের অনুপস্থিতিতে গ্রাউন্ডসম্যানরাই দেখভাল করছেন মাঠের, উইকেটের। জাতীয় দলের অনুশীলন চলছে নিয়মিত, অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মূল কিউরেটর স্বদেশে বসে বেতন গুনছেন।

গামিনির ফেরা সম্পর্কে জানতে চাইলে গতকাল বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির ম্যানেজার আব্দুল বাতেন জানালেন, ‘এপ্রিল না মে মাসে গেছে। এখনো আসেনি। খেলা নেই তো। চলে আসবে, করোনা ঠিক হলে।’

এখন কারা মাঠের সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন প্রশ্নে বিসিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের দেশীয় কিউরেটররা আছে। এখানে গ্রাউন্ডসম্যান যারা আছে, ওরা অভিজ্ঞ। কোনো সমস্যা নাই। সব ঠিক আছে।’ 

চট্টগ্রামের কিউরেটর প্রাভীন হিনগানিকর, সিলেটের কিউরেটর সঞ্জীব আগারওয়ালও গামিনির মতোই কাছাকাছি সময়ে স্বদেশে ফিরেছিলেন। তারা জুন মাসে ভারতে চলে যান। গত মাসে ফিরে এসেছেন হিনগানিকর। চট্টগ্রামে অলস সময় কাটছে তার। আগারওয়াল এখনো ফিরেননি। জানা গেছে, দেশে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। তাই ফিরতে বিলম্ব হচ্ছে তার।