ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী উলফাত্ আরা তিন্নীকে ধর্ষণ ও ‘হত্যা’র মামলায় গ্রেফতার চার আসামিকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গতকাল রবিবার পুলিশ তাদের আদালতে সোপর্দ করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলাম জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। এছাড়া রিমান্ড শুনানির জন্য ৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এদিকে মামলার প্রধান আসামি তিন্নীর ভগ্নিপতি জামিরুল ইসলামকে গতকাল রবিবার পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা যায়নি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার সাঈদ জানান, শনিবার রাতে জামিরুল ও অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। মামলার বাদীপক্ষের নিরাপত্তার জন্য তাদের বাড়ির আশপাশে পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিন্নীর খালাতো ভাই মখলেসুর রহমান মকুল সাংবাদিকদের বলেন, তিন্নীর মেজো বোন মিন্নীর সঙ্গে তার স্বামী জামিরুলের তালাক হওয়ার পর গত এক বছর ধরে পরিবারটিকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, এই মামলার আসামি নাঈম তাকেও হুমকি দিয়েছেন।
শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দারা জানান, এ মামলার আসামিরা এলাকায় প্রভাবশালী ও বিত্তবান। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেও মানুষ ভয় পায়। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে এই ‘হত্যাকাণ্ডের’ ঘটনা ঘটে। ঘরে সিলিং ফ্যান থেকে তিন্নীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।