ফের আইপিএলে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব!

জৈব-সুরক্ষা বলয়ের কারণে নেই দর্শক, নেই গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ। তাই, এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) ফিক্সিংয়ের প্রকোপ থাকতে পারে —এমন আভাস ছিল টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই। আর বাস্তবেও তারই প্রমাণ মিলল। সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান আসরে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন এক ক্রিকেটার।

অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমেছে বিসিসিআইয়ের দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট (এসিইউ)। জানা গেছে, ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) বিষয়টি নিয়ে খুবই ‘সিরিয়াস’।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে (পিটিআই) এই খবর নিশ্চিত করেন এসিইউয়ের প্রধান অজিত সিং। রাজস্থান পুলিশের সাবেক এই ডিজিপি নেতৃত্ব দিচ্ছেন আট সদস্যের এসিইউ দলকে। অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। আমাদের কিছুটা সময় লাগবে।’

দুর্নীতিবিরোধী ধারা মেনে গোপনীয়তার স্বার্থে প্রস্তাব পাওয়া ক্রিকেটার কিংবা তার ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম প্রকাশ করা হয়নি। ভারতে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেশি হওয়ায় এবারের আইপিএল হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এই মহামারির সংক্রমণ এড়াতে সেখানেও ম্যাচগুলো হচ্ছে দর্শক শূন্য মাঠে। ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ ও টুর্নামেন্ট সংশ্লিষ্ট সবাই থাকছেন জৈব-সুরক্ষা বলয়ে। তাতে ক্রিকেটারদের কাছে সরাসরি অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ যথেষ্ট কমে গেছে। তবে জুয়াড়িদের অনলাইন নেটওয়ার্ক এখনো হয়ে আছে বড় হুমকি।

বেশিরভাগ ক্রিকেটারই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সক্রিয়। যেখানে অচেনা লোক ক্রিকেটারদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতানোর চেষ্টা করে। এসিইউ এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি বাড়াচ্ছে।