নোয়াখালীতে এক নারীকে বিবস্ত্র নির্যাতনের ভিডিও লিংক বন্ধের কাজ শুরু করেছে বিটিআরসি। উচ্চ আদালতের দেওয়া নির্দেশনা হাতে না পেলেও গণমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদ দেখেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক গতকাল সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঐ ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর দেশ জুড়ে মানুষের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার পর সোমবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. মহিউদ্দিন শামীমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ এ আদেশ দেয়।
বিটিআরসি প্রধান বলেন, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর ২০টি মতো লিংক বন্ধ করা হয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। খুব দ্রুত এ লিংক বন্ধ করা সম্ভব হবে না। ফেসবুক ও ইউটিউবসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে ভিডিওটি অপসারণ করতে ইতিমধ্যে মেইল করা হয়েছে।
বিটিআরসি কর্মকর্তারা জানান, যে আইডি থেকে এই ভিডিওটি প্রথম ছাড়া হয়েছে সেই আইডি এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ফেসবুক ও ইউটিউব কর্তৃপক্ষ চাইলে দ্রুত এটা বন্ধ করতে পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, অনেক সময় তারা আমাদের অনুরোধগুলো রাখে, আবার রাখেও না। আমরা নিজেদের মতো চেষ্টা করছি।
বিটিআরসি প্রধান বলেছেন, সোশাল মিডিয়ায় এভাবে যেন ভিডিও ও কনটেন্টগুলো ছড়াতে না পারে এজন্য একটি টুল ব্যবহার করা হবে, এজন্য আইন করা হবে। তিনি বলেন, ইউটিউব হোয়াসঅ্যাপসহ অন্যান্য সোশাল মিডিয়া আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। এখন আইন করে এ এগুলো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার কথাও জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান।