এইচপিতেই প্রস্তুত হওয়ার পরামর্শ দুর্জয়ের

বয়সভিত্তিক দল ও জাতীয় দলের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে ‘এ’ দল, হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। ‘এ’ দল কার্যকর নয় বলে দেশের সম্ভাবনাময় তরুণদের জাতীয় দলের জন্য প্রস্তুত হওয়ার মঞ্চ এখন এইচপি। এখানেই টেকনিকের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার পরামর্শ দিয়েছেন বিসিবি পরিচালক ও এইচপি চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান দুর্জয়। জাতীয় দলে গিয়ে যেন দেশকে পরিপূর্ণ সার্ভিস দিতে পারেন ক্রিকেটাররা।

করোনার কারণে বিলম্ব হলেও গতকাল শুরু হয়েছে এইচপি ক্যাম্প। বিসিবি একাডেমিতে আবাসিক ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন ২৫ ক্রিকেটার। ২৬ নভেম্বরে পর্যন্ত চলবে ক্যাম্প। বাবার অসুস্থতার কারণে শ্রীলঙ্কা থেকে আসতে পারবেন না পেস বোলিং কোচ চম্পকা রমানায়েকে। হেড কোচ টবি র্যাডফোর্ড ১০ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

মিরপুর স্টেডিয়ামে গতকাল সকালে ফিটনেস টেস্টের পর বিকেলে নেট অনুশীলন করেন ক্রিকেটাররা। দুপুরে গোটা দলের সঙ্গে মিটিং করেন এইচপি চেয়ারম্যান। এইচপিতেই টেকনিক নিয়ে সর্বোচ্চ কাজ করার তাগিদ জানিয়ে নাঈমুর রহমান দুর্জয় বলেছেন, ‘তাদের জাতীয় দলের খেলার জন্য প্রস্তুত করার জায়গাটা হাই পারফরম্যান্সকে আমরা ব্যবহার করতে পারি। অনেক সময় আমরা কাউকে ট্যালেন্টেড হিসেবে ধরি কিন্তু অনেকের কিছু প্রবলেম থাকে, টেকনিকে দুর্বলতা থাকে যেগুলো জাতীয় দলে গিয়ে কাজ করতে হয়। কিন্তু আমার আবেদন প্লেয়ারদের প্রতি আজকেও (গতকাল) রেখেছি, জাতীয় দলে গিয়ে যেন কোনো কাজ না করতে হয়। ওখানে গিয়ে যেন তারা যেন সার্ভিসটা দিতে পারে এবং যার যা টেকনিকে সমস্যা আছে সেগুলো যেন এইচপিতে তারা যতদিন কাজ করবে তাদের সেরা ব্যবহারটা যেন এখান থেকে করে নেয়।’ ফিটনেস টেস্টে ক্রিকেটাররা ভালো করেছেন দেখে খুশি দুর্জয়। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘আজকে (গতকাল) ফিটনেস টেস্টে আমি গর্ব করে বলতে পারি আমাদের প্লেয়াররা খুব ভালো করেছে। দুই একজন, ২৫ জনের মধ্যে দুই-তিন জনের সমস্যা হতেই পারে কিন্তু সর্বোপরি ফিটনেস টেস্টে খুব ভালো করেছে। তার মানে তাদের সিনসিয়ারিটি, সিরিয়াসনেস আছে প্রস্তুত করার জন্য।’

ত্রিদলীয় সিরিজ ও টি-২০ লিগে এইচপি স্কোয়াডের ১৫-১৬ জন খেলবেন। বাকিরা একাডেমি ভবনে থেকে ক্যাম্পের অধীনে থাকবেন। ব্যাটিং কোচ জাফরুল এহসানই এখন ক্যাম্প পরিচালনা করবেন। সঙ্গে আছেন এক ঝাঁক দেশীয় কোচ।