টানা দুই মাস বেড়েছে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি

টানা দুই মাস দেশে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। শহর ও গ্রাম উভয় পর্যায়ে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার সেপ্টেম্বরে বৃদ্ধি পেয়ে ৬ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। খাদ্যসামগ্রীর দাম বাড়ায় সার্বিক মূল্যস্ফীতিও বৃদ্ধি পেয়ে ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, অর্থবছরের শুরুতে জুন মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এরপর জুলাই মাসে এটি কমে ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ হয়; কিন্তু এর পরের আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৬ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ এবং ৬ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। সবমিলিয়ে সেপ্টেম্বরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মিলিয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯৭  শতাংশে। গত বছরের একই মাসে এ হার ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর চলতি বছরের আগস্ট মাসে দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ ছিল। উভয় বিবেচনায় মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। বিবিএস কর্মকর্তারা জানান, গত মাসে চাল, পেঁয়াজ, আদা, মাছ, তরিতরকারিসহ বেশ কিছু খাদ্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক মূল্যস্ফীতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া বিদ্যুত্ ব্যবহারের খরচও বেড়েছে। বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে দেশের গ্রামাঞ্চলেও সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। আগের মাস আগস্টে যেখানে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে তা ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ হয়েছে। একইভাবে শহর অঞ্চলেও সাধারণ মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ হয়েছে, যা আগের মাসে ৫ দশমিক ৮১ শতাংশ ছিল। সেপ্টেম্বরে গ্রামীণ অঞ্চলে খাদ্য উপখাতের মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ০৯ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে সার্বিকভাবে খাদ্যবহির্ভূত উপখাতের মূল্যস্ফীতি আগস্ট মাসে ৫ দশমিক ০৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ হয়েছে সেপ্টেম্বর মাসে। এসময় শহর ও গ্রামীণ উভয় অঞ্চলে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে।