ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন এক নারী। এ ঘটনায় মামলা করতে গেলে দুই দিনেও মামলা নেয়নি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। উলটো তাকে পুলিশের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হতে হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী ঐ নারীর।
ভুক্তভোগী ঐ নারী জানান, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় কয়েক বছর আগে তিনি তার স্বামীকে তালাক দেন। ঐ সংসারে তার এক মেয়ে, এক ছেলে রয়েছে। বছর দুয়েক আগে কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস নয়নের সঙ্গে তার ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। তখন আব্দুল কুদ্দুস যাত্রাবাড়ী থানায় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে রয়েছেন। ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে বিভিন্ন সময় এসএমএস চালাচালি ও মেসেঞ্জারে কথা হতো। এতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কনস্টেবল কুদ্দুস বিভিন্ন সময় তার বাসায় যাতায়াত করতেন। গত মঙ্গলবার সকালে কুদ্দুস তার সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজির পশ্চিমপাড়ার বাসায় যায়। তখন তার দুই সন্তান বাসায় ছিল না। এ সময় কুদ্দুস তাদের বিয়ের বিষয়ে কথা বলবে বলে রুমের দরজা বন্ধ করে দেয়। তিনি কুদ্দুসকে দরজা বন্ধ করতে নিষেধ করা সত্ত্বেও কুদ্দুস তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সা নেন। ঐ দিন রাতে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করতে যান। রাত ১০টা পর্যন্ত পুলিশ তাকে থানায় বসিয়ে রেখে পুলিশ জানায় যে তদন্ত করে মামলা নেওয়া হবে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি কামরুল ফারুক বলেন, ঐ নারী মাত্র ১০ মিনিট হয়েছে থানায় এসেছে। বিষয়টি দেখা হচ্ছে। মামলা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।