সরকার বেশ কিছুদিন যাবত্ দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এতে কি সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে দুর্নীতি নির্মূল হচ্ছে? এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকের মতামত প্রকাশিত হলো আজ
দুর্নীতি এমন একটি সমস্যা যা আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের এমন কোনো সেক্টর বাদ নেই যেখানে দুর্নীতি নেই। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজকে শুদ্ধ করার জন্য এই সরকারসহ বিভিন্ন সময়ের সরকার অভিযান পরিচালনা করেছে। বর্তমানেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকারের অভিযান দুর্নীতিবাজদের মনে ভয় জাগিয়ে তুলেছে। সমাজে ব্যাপক প্রভাবও পড়েছে। অভিযান ফলপ্রসূ হবে যদি দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে সব সময় থাকা যায়। দেখা যাচ্ছে, জনগণ এই অভিযানগুলোতে প্রধানমন্ত্রীকে এবং সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে। সরকার যদি দলমত নির্বিশেষে দুর্নীতি প্রতিরোধে ব্যাপকভাবে উদ্যোগী হয় তাহলে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হতে বেশিদিন লাগবে না।
এস এম হূদয়
ফ্রিল্যান্স সংবাদকর্মী, ঢাকা
তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ক্ষমতাসীন দল দুর্নীতির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন এক অভিযান শুরু করেছে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ অভিযানকে অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, তবে এটির সফলতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকারের একার পক্ষে এ ধরনের অভিযান কোনো কার্যকর ফল বয়ে আনবে না। আমাদের দুর্নীতি দমন কমিশনকে সক্রিয় হতে হবে, তাদের ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির মতো থাকলে চলবে না। তাদের লোক দেখানো আইওয়াশ বন্ধ করে, মেরুদণ্ড সোজা করতে হবে। দুর্নীতিগ্রস্তদের পাকড়াওয়ের পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে হবে। তবেই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান সফল হবে।
মো. জিল্লুর রহমান
সতীশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
আমাদের সমাজে ঘুষ-দুর্নীতি মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ হলো, দুর্নীতির সংজ্ঞা আমরা নিজেদের মতো করে পালটে নিয়েছি। সমাজের প্রতিটি স্তরেই যার যেটুকু ক্ষমতা আছে, তা ব্যবহার করেই অন্যায় পথে অর্থ বা সুবিধা অর্জনকে আমরা এখন রীতিমতো ‘অধিকার’ বলে মনে করছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের শুদ্ধি অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। সব ক্ষেত্রে সরকার পুরোপুরি সফলতা না আনতে পারলেও আংশিক সাফল্য অর্জন করেছে। কারণ শুধু আইন প্রয়োগ করে বা শাস্তি দিয়ে দুর্নীতির এ পাহাড়কে টপকানো যাবে না। দুর্নীতি দূর করতে হলে এ সংস্কৃতির পরিবর্তন দরকার, প্রয়োজন মানসিকতার পরিবর্তন।
সাদিয়া সুলতানা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাভার, ঢাকা
বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশকে যারা ধারণ করেন, তাদের সবার প্রতি দুর্নীতি প্রতিরোধের আহ্বান জানাই। এভাবে ৩০ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া বাংলাদেশ হেরে যেতে পারে না। আসুন সবাই মিলে আওয়াজ তুলি, এক সঙ্গে লড়াই করে দুর্নীতি প্রতিরোধ করি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে বাধা সৃষ্টিকারী লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই, রুখে দাঁড়াও নব প্রজন্ম।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর
বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই দুর্নীতি একটি বড় ব্যাধি। এটি দেশের সার্বিক অগ্রগতি এবং উন্নয়ন ব্যাহত করে চলছে যুগের পর যুগ। দুর্নীতি কোনো সরকারের পক্ষে এককভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়। সরকারের পাশাপাশি সর্বস্তরে মূল্যবোধ সৃষ্টি এবং সচেতনতা বাড়াতে হবে আমাদের। আমরা জানি এবং বিশ্বাস করি, রোগের চিকিত্সার চেয়ে যদি রোগ প্রতিরোধ করা যায়, তাহলে বেশি কাজে দেয়। আমরা যদি আমাদের শুভবুদ্ধি, মূল্যবোধ, দেশপ্রেমের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে পারি, তাহলেই দুর্নীতি নামক জাতীয় ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করি।
বিলকিছ আক্তার
কাউনিয়া, রংপুর
সরকার দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করে ঠিক কাজটি করেছে। দুর্নীতিবাজদের যেন শাস্তি হয় সেটাই দেশবাসীর কাম্য।
সালেহা আফরিন বেবী
শিবগঞ্জ, সিলেট
দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান এ সরকারের এক অনন্য সৃষ্টি। পত্রিকার পাতায় চোখ পড়লেই প্রতিদিন নিত্যনতুন দুর্নীতির খবর পাই। সম্প্রতি বি-বাড়িয়ার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কোটিপতি পিয়ন ইয়াসিন অফিসের নতুন ইতিহাস গড়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ড্রাইভার মালেক, আফজালসহ আরো অনেকে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তার নিজস্ব মেধা, ক্ষমতা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সব কালিমা মুছে পরিষ্কার করে সোনার বাংলা গড়ে তুলবেন। তিনিই পারবেন।
অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিজউদ্দিন
কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছে। এ ব্যাপারে সরকার খুবই তত্পর। এতে করে বড় বড় দুর্নীতিবাজরা ধরাও পড়ছে; এটা সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, কিছুদিন পরে এই দুর্নীতিবাজরা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বা সরকারি রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশীর্বাদে ছাড়া পেয়ে আবার দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন; এটাই হলো বড় কষ্টের বিষয়।
মো. রুহুল আমীন
আলীপুরা, ভবেরচর, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
দুর্নীতির বিরোধী অভিযান চলমান থাকলে দুর্নীতিমুক্ত হবে দেশ। বলা যায়, এ সরকারের সময়ে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়নি দেশ। বিরোধী দল ধর্ষণকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আন্দোলন করছে না তো—বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
‘অন্যায় যে করে, আর অন্যায় যে সহে; তব ঘৃণা যেন তারে তৃণ সম দহে’—এটি কবির কথা। আমাদের সমাজে যারা দুর্নীতি করছে, তাদের যারা সহযোগিতা করে তারাও সমভাবে দুর্নীতিবাজ। যে দুর্নীতিবাজরা বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস করে, এই প্রশ্ন যারা সংগ্রহ করে পরীক্ষা দিয়ে কৃতকার্য হচ্ছে তারাও সমান দুর্নীতিবাজ। কাঙালের ধন চুরি করে যারা আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে, তারা একবার আয়নার সম্মুখে গিয়ে দাঁড়াক, তাহলে আয়নাও লজ্জা পাবে। দুর্নীতিবাজরা মনের দিক থেকে সুখী নয়।
খন্দকার কামরুজ্জামান
৩৬৩/১০, উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা
দুর্নীতি করে দুর্নীতিবাজ এক শ্রেণির আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী। এরা অনেকে নিজের তত্ত্বাবধানে করে না, আমলা ও ব্যবসায়ী দুর্নীতিবাজদের সিন্ডিকেট তৈরিতে সাহায্য-সহযোগিতা করে। সময়মতো ভাগবাঁটোয়ারা হাতিয়ে নেয়। সরকার যেখানে দুর্নীতির গন্ধ পাবে সেখানেই অভিমান অব্যাহত রাখতে হবে। বাতির নিচে অন্ধকার যেন থেকে না যায়।
জিয়াউল হক সরকার
পূবাইল, গাজীপুর।
শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান নয়, যে কোনো অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনে থাকা দরকার। এ ব্যাপারে সরকারের তত্পরতা আরো জোরদার করা প্রয়োজন।
বজলুল
রিক, ধানমন্ডি, ঢাকা
আমরা আশা করব, দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই অভিযানের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। তা না হলে সাময়িক দুর্নীতিবিরোধী অভিযান দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না।
মো. খায়রুল ইসলাম ফুল
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
দুর্নীতি নিয়ে সরকার যতই পদক্ষেপ গ্রহণ করুক না কেন, আসলে আমাদের মনের দুর্নীতি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এর কোনো সুফল বয়ে আনবে না। কাজেই প্রথমেই আমাদের দেশের জনগণকে সেই মৌলিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। দুর্নীতিকে ঘৃণা করতে হবে। প্রয়োজনে বিদ্যমান আইন সংশোধন করে এদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। তাছাড়া দুর্নীতি দেখভালের জন্য যারা নিয়োজিত থাকবেন তারা যেন দুর্নীতিতে জড়িয়ে না পরেন, সেজন্যও সতর্ক থাকতে হবে।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌ. (হিফজু)
হাউজিং স্টেট, রাজশাহী।
টিআইবির রিপোর্টে দেখা গেছে, আফ্রিকার দেশসমূহের অবস্থা সবার চেয়ে খারাপ। তবে আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশসমূহের মানুষ আজ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব ও সোচ্চার। আমাদেরকে আজ আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার ঐসব দেশ থেকে এখনই শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। তা-না হলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাময়িক অভিযান চালিয়ে কোনো ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে না।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সরকারের চলমান তদন্ত প্রক্রিয়া অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক এবং মানুষের মধ্যে কিছুটা হলেও আশার আলো জাগিয়েছে। একটি গাছের কাণ্ডে পচন ধরলে ওষুধ দিলে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু মূলে পচন ধরলে অন্য গাছকে রক্ষার্থে মূলোত্পাটন করতে হয়। তাই দুর্নীতি দমন করতে হলে মূলে হাত দেওয়া প্রয়োজন।
মোহাম্মদ ইসলাম
পুরানা পল্টন, ঢাকা
সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে অনেক দুর্নীতিবাজ শাহেদ, সাবরিনা, আরিফ দম্পত্তি, মালেক, আফজাল, পাপিয়া, নাসিম দম্পতিসহ নাম না জানা অনেক রাঘব বোয়ালকে আইনের আওতায় এনে খাঁচায় বন্দি করেছে। কিন্তু এসব রাঘব বোয়াল যাদের ইশারায় অপকর্ম ও দুর্নীতি করেছে সেই সব গডফাদার ও মাফিয়া দল এদের পায়ে বেড়ি না পরায় তারা লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে পার পেয়ে যাচ্ছে। যার ফলে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান কার্যকর ও শুদ্ধ হচ্ছে না বলে আমি মনে করি।
মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ
সর্দার পাড়া, মুন্সীগঞ্জ
সত্য কথা হলো—কিছু কারণে অভিযান সফল হবে না। তার মধ্যে আইন প্রয়োগে আন্তরিকতার অভাব, দীর্ঘসূত্রতা, মানবিক মর্যাদাবোধ, সুশিক্ষা নিশ্চিত না হওয়াও এর বড় কারণ।
মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক নাছিম
চান্দাইকোনা, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ
সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি রন্ধ্রেই আজ দুর্নীতি আর অনিয়ম। একে চিরতরে নির্বাসনে পাঠানো অনেকটা কঠিন। তবে এর বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান ও চলমান তত্পরতা সময়ের দাবি। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে এই অভিযান তখনই ফলপ্রসূ হবে যখন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সকল পর্যায়ের রাঘববোয়ালরা শাস্তির আওতায় আসবে।
এ এফ এম সালাহউদ্দীন
বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অব্যাহত অভিযান বা তত্পরতা সাধুবাদ পাওয়ার দাবি রাখে। তবে সাময়িক বা সীমিত পরিসরে চালানোর পর তা স্থগিত করা হলে প্রকৃত দুর্নীতিবাজরা বরাবরের মতো ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাওয়ার আশঙ্কা অমূলক নয়। প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে সব বিভাগের ছোট-বড় সব দুর্নীতিকে নিশ্চিহ্ন করতে হবে।
মোহাম্মদ ফয়সাল
১৪৬ ডিটি রোড, পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম।
সাময়িক অভিযান অসংখ্য শাখাপুষ্ট দুর্নীতির বিষবৃক্ষের গভীর শেকড়ের কাছাকাছি যেতে কতোটা সমর্থ হবে তা সময়ই বলে দেবে। দুর্নীতির বিষাক্ত ছোবলে ক্ষতবিক্ষত সরকারের বিভিন্ন খাতের উল্লেখযোগ্য অনেক উন্নয়ন। সরকারি কেনাকাটা থেকে যাবতীয় উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় প্রতিটি স্তরে বিস্তৃত ভয়াবহ দুর্নীতির মূলোত্পাটন করতে হলে অভিযান নিয়মিতকরণের পাশাপাশি প্রয়োজন শুদ্ধাচারের চর্চা। সেই সঙ্গে রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নও কঠোরভাবে রোধ করা অপরিহার্য।
আবু ফারুক
বনরুপা পাড়া, সদর, বান্দরবান।
এ ব্যাপারে অভিযোগ রয়েছে যে, সরকারি দলে অনুপ্রবেশকারী দজ্জালেরা দুর্নীতি করে বলে অভিযান শেষ হয়ে যায়। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান কখনো জোরেসোরে, কখনো ধীরে ধীরে পরিচালিত হয়েছে। এতে করে দুর্নীতি কতটুকু কমেছে বা শেষ হয়েছে, এটা প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার যে আপসহীন এ কথাটি স্বীকার করতে কারোর দ্বিধা নেই। এ সরকারের অধীনেই দুর্নীতি শেষ হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
মাখরাজ খান
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
‘কমবেশি দুর্নীতি সব দেশেই আছে— রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র কিংবা গণতন্ত্র সব দেশেই আছে এর অস্তিত্ব’ (ইত্তেফাক সম্পাদকীয়)। আমাদের দেশে দুর্নীতি বহু আগে থেকেই চলে আসছে। তবে বর্তমান সরকার এখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। এর জন্য বর্তমান সরকারকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।
সুলতানা জামান
মানিকনগর, ঢাকা