করোনাকালে বিদেশফেরত ২১৯ প্রবাসী বাংলাদেশিকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রেখে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছে হাইকোর্ট। আগামী ২৯ অক্টোবর তুরাগ থানার ঐ পুলিশ কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল এই আদেশ দেন।
এছাড়া ৫৪ ধারায় দায়েরকৃত সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে এসব প্রবাসীকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়ে ঢাকার সিএমএমকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
করোনাকালে বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও ভিয়েতনাম থেকে ফেরত ২১৯ প্রবাসী বাংলাদেশিকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে গত ৪ জুলাই তুরাগ থানায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় করা সাধারণ ডায়েরির ভিতিতে গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর আদালতে হাজির করা হলে পাঠানো হয় কারাগারে। কারাগারে আটক বাহরাইন প্রবাসী শাহীন আলম তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। ঐ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন বাপ্পী। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারির পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেয়।
ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য শলা-পরামর্শ করেছিলেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ১৫ দিনের মধ্যে ৫৪ ধারার তদন্ত শেষ করতে হবে। কিন্তু তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান। এটাই চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।