নারায়ণগঞ্জ সদরের সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যব্যবস্থার গাফিলতির কারণেই গত ৪ সেপ্টেম্বর পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
শুক্রবার বিকালে শহরের দেওভোগ এলাকায় সিটি করপোরেশনের শেখ রাসেল পার্কে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত ‘গণসংলাপ বাংলাদেশ কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড এবং নাগরিকের নিরাপত্তা’ এ শিরোনামে আয়োজিত সভায় বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মাত্র ৪০ টাকা মূল্যের মরফেন ইনজেকশন ব্যবহার করলে এতগুলো মানুষের মৃত্যু হতো না। এ হাসপাতালে মরফেন ইনজেকশনের লাইসেন্স না থাকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্তা ব্যক্তিদের দুর্নীতির সমালোচনাও করেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
দেশের এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হলে সরকার পরিবর্তন নয়, সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ম পরিবর্তন করতে হবে বলে মনে করেন তিনি। পাশাপাশি সংবিধান পরিবর্তন করে তিনি ডিজিটাল আইন বাতিল করার গুরুত্বও তুলে ধরেন। দেশের সাম্প্রতিক আলোচিত ঘটনাগুলোর ব্যাপারে চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরি।
গণসংহতি আন্দোলনের জেলা শাখার সভাপতি তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।