বিওএর আর্থিক সহযোগিতা চান
স্পোর্টস রিপোর্টার
করোনায় ঘরবন্দী ছিলেন বাংলাদেশের তারকা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। তবে এখন মহামারি করোনার মধ্যে আন্তর্জাতিক কোর্সগুলো আস্তে আস্তে খুলতে শুরু করেছে। এরআগে অলিম্পিক গেমস এক বছর পিছিয়ে যাওয়ায় সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে সিদ্দিকুর রহমানের। সম্ভাবনা দেখছেন টোকিও অলিম্পিকে খেলার। আগামী বছর গেমস। সামনে প্রচুর সময়। এই সময়টা কাজে লাগিয়ে অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে চান তিনি। এটা করতে হলে তাকে প্রচুর অনুশীলন করতে হবে। ভালো ভালো কোচের কাছে তালিম নিতে হবে। সিদ্দিকুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় গিয়ে প্রশিক্ষণ নেবেন। সামনে ইউএস গলফ রয়েছে। যখন খেলা হবে তখন নাম এন্ট্রি করার চেষ্টা করবেন। তার আগে আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ারও একটা ব্যাপার আছে। এক বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন সিদ্দিকুর। সঙ্গে তার স্ত্রী যাবেন। স্ত্রীর ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই যাওয়া হবে।
সিদ্দিকুর গতকাল বিকালে হকি ফেডারেশনের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন তার পরিকল্পনার কথাগুলো। অলিম্পিকে যাওয়ার সুযোগ নষ্ট করতে চান না। যুক্তরাষ্ট্রে বছর খানেক প্রশিক্ষণ নিতে প্রচুর খরচ। যেটা তার পক্ষে বহন করাও সম্ভব না। সিদ্দিকুর বিওএর কাছে ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার সহযোগিতা চেয়ে একটি আবেদন করেছেন। পুরোটা দেওয়া হলেই তিনি সবকিছু চালিয়ে নিতে পারবেন তা নয়। মাসে চার দিন কোচ পাবেন। তার দাবি এটা ন্যূনতম খরচ দেখানো হয়েছে। সিদ্দিকুর বলেন, ‘ফ্লোরিডায় হচ্ছে গলফের স্বর্গ। টাইগার উডস থেকে শূরু করে অনেক নামিদামি কোচ-খেলোয়াড় সেখানে থাকেন। প্রশিক্ষণ নেব। ফাঁকে ফাঁকে র্যাংকিং টুর্নামেন্ট খেলব অলিম্পিকে ঢোকার জন্য। সহযোগিতা পেলে আরেক বার অলিম্পিকে বাংলাদেশের পতাকা হাতে প্রবেশ করতে পারব।’