নগর সংস্কৃতি

স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনেই নাট্যচর্চা হবে শিল্পকলায়

স্থবিরতা কাটিয়ে আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে খুলে যাচ্ছে শিল্পকলা একাডেমির তিনটি নাট্যমঞ্চ। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহের দুই দিন শুক্র ও শনিবার নাটক মঞ্চস্থ হবে। এছাড়া সরকারি ছুটির দিনেও প্রদর্শনীর সুপারিশ জানিয়েছে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন। গতকাল গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। নাট্যশালার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত এ সভায় পুনরায় নাট্যচর্চার বিষয়ে করণীয় সম্পর্কিত আলোচনায় ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন নাট্যদলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সর্বশেষ মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে নাট্য প্রদর্শনী হয়েছে শিল্পকলায়। এরপর সাত মাসের দীর্ঘ বিরতি। মহামারির কারণে নাট্যশালার তিনটি মঞ্চে বন্ধ রয়েছে নাট্য প্রর্দশনী।

আলোচনায় অংশ নেন গ্রুপ সভাপতি ও একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল কামাল বায়েজিদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অনন্ত হিরা, নাট্যকর্মী চন্দন রেজা প্রমুখ। সভায় আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, নাট্য প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা। দর্শক ও শিল্পীদের নিরাপত্তার দায় বহন করতে হবে হল বরাদ্দ নেওয়া দলকে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে হলের এক তৃতীয় আসনে দর্শক বসানো যাবে। এছাড়া করোনাকালের ক্ষতি মেটাতে নাট্যদলগুলোকে আগামী ছয় মাস বিনা ভাড়ায় মিলনায়তন বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাডেমি। হল ভাড়ার এই ব্যয় বহন করবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। নাটক মঞ্চায়নের ক্ষেত্রে একাডেমির নীতিমালা তুলে ধরে জানানো হয়, হলের বরাদ্দ পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে অনলাইনে। শরীরের তাপমাত্রা মাপার পর মিলনায়তনে প্রবেশ করতে হবে দর্শক বা শিল্পীকে। সবার জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। মিলনায়তনের ৩০ শতাংশ আসন ব্যবহার করা যাবে। নাট্য প্রদর্শনী কিংবা অনুষ্ঠান শুরুর ত্রিশ মিনিটের মধ্যে একাডেমির প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেওয়া হবে। নতুন কোনো প্রযোজনার জন্য সাত দিন মহড়া কক্ষ ব্যবহার করা যাবে। পুরোনো নাটকের ক্ষেত্রে দুই দিন মহড়া কক্ষ ব্যবহার করা যাবে।