ডিমলার চরাঞ্চলে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু

আশ্বিন-কার্তিকের সেই মঙ্গা আর নেই

ডিমলা (নীলফামারী) সংবাদদাতা

তিস্তার চরাঞ্চলে শুরু হয়েছে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। স্থানীয় কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের বেড়েছে কাজের ব্যস্ততা। আশ্বিন-কার্তিক মাস এলেই তিস্তার চরে একসময় যে অভাব-দারিদ্র্যের কথা শুনা যেত আধুনিক কৃষি উন্নয়ন পরিকল্পনার বদান্যতায় তা অনেকটাই কেটে গেছে।

আগে এ সময়ে এলাকায় কৃষি কাজসহ অন্যান্য কাজকর্ম না থাকায় শ্রমিকদের পরিবার পরিজন নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাতে হতো। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তার বন্যা ও ভাঙনের সঙ্গে সংগ্রাম করে টিকে থাকা কৃষকরা এখন পাচ্ছেন কৃষি প্রযুক্তি সংক্রান্ত নানা প্রশিক্ষণ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, তিস্তা নদীর ভাষানীর চর নামক জায়গায় জেগে ওঠা নতুন চরে চলছে আগাম জাতের ধান কাটা মাড়াইয়ের নবান্ন উত্সব।

চরের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগাম জাতের ধান কাটা-মাড়াই শেষ করেই তারা আগাম ভুট্টা, মিষ্টিকুমড়া, গম, মরিচ, পিঁয়াজ ও রসুনসহ নানা রকমের মসলাজাতীয় ফসল চাষ করার প্রস্তুতি নিবেন।

উপজেলার তিস্তা নদীবেষ্টিত টেপাখাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ খড়িবাড়ী গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, ‘আগাম ধান ঘরে তুলতে পেরে আমরা খুশি। এ এলাকায় এখন আর আশ্বিন-কার্তিক মাসের সেই মঙ্গা আর নেই। তবে তিনি চর এলাকায় বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা ও প্রযুক্তিগত সুবিধা বাড়ানোর দাবির কথা জানান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী বলেন, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে চরাঞ্চলে রোপণকৃত বিনা-৭ ও পটোলপারী জাতের ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে।