চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানার একটি প্রতারণা মামলায় রিজেন্টের সাহেদ করিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। ঢাকায় অটোরিকশা চলাচলের জন্য বিআরটিএর ভুয়া রুট পারমিট সরবরাহ করে ৯১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেন চট্টগ্রামের একটি গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। গতকাল রবিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফি উদ্দিন রিমান্ড আবেদন শুনানির পর এ আদেশ দেন। তার আগে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার জাহান সাহেদকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী ধৃতিমান আইচ জানান, ডবলমুরিং থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা দুটি আবেদন করেন। একটি প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেটি মঞ্জুর করেছেন। এছাড়া তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ১৩ জুলাই নগরীর ধনিয়ালাপাড়া এলাকার মেসার্স মেগা মোটরস নামে একটি গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. সাইফুদ্দিন বাদী হয়ে ডবলমুরিং থানায় সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মেগা মোটরস’র সাবেক কর্মকর্তা শহিদুল্লাহকেও আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। মামলায় ঢাকায় অটোরিকশা চলাচলের জন্য বিআরটিএর ভুয়া রুট পারমিট সরবরাহ করে ৯১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাতে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, শহিদুল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে সাহেদ করিম তাদের রুট পারমিট পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকাগুলো নেয় এবং আত্মসাত্ করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডবলমুরিং থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। সাহেদকে থানায় রাখা হয়েছে। এখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।