করোনা ভাইরাস প্রকোপের কারণে কোনো নির্বাচন পেছাবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। তিনি জানান, যখন যেই নির্বাচনের সময় আসবে তখন সেটির আয়োজন করা হবে। পৌরসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে পৌরসভা নির্বাচন পেছানো হবে না নীতিগতভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে এ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা হতে পারে। রবিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, কমিশন সভার একাধিক বৈঠকে সারা দেশে পৌরসভা নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নিতে ইসি সচিবালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঐ নির্দেশনার আলোকে পৌরসভার তালিকা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সংগ্রহ করেছে কমিশন। তবে শীতে করোনা ভাইরাস প্রকোপ বাড়বে—এমন আশঙ্কা জানিয়ে ঐ সময়ে নির্বাচন না করতে কমিশনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন অনেক পৌরসভার মেয়র।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেন, কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে করোনার কারণে নির্বাচন পেছানো হবে না। যখন যেই নির্বাচন সামনে চলে আসবে সেগুলো আগে করা হবে। সব দিক বিবেচনা করে নির্বাচনের দিন তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনের দিন সহিংসতায় একজন মারা যাওয়ার বিষয়ে সচিব বলেন, ভোটকেন্দ্রের বাইরে নিজেদের আন্তঃকোন্দলের ঘটনায় সহিংসতায় একজন মারা গেছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চেয়ে নির্বাচন কমিশনারদের কাছে ফাইল পাঠানো হয়েছে। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে সরকার সমর্থক প্রার্থীর একচেটিয়া ভোট পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এত ভোট পাওয়া স্বাভাবিক বা অস্বাভিক এমন মন্তব্য করার মতো বিশেষজ্ঞ নই। তবে নির্বাচন নিয়ে রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার বা প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ না এলে নির্বাচন খারাপ হয়েছে তা কীভাবে বলব।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (আরপিও) সংশোধন প্রসঙ্গে ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, আরপিওর খসড়া সংশোধনী কমিশনারদের কাছে তোলা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা অথবা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো নির্ভর করছে।