উচ্চতা জটিলতায় গোমা সেতুর ভাগ্য নির্ধারণে ফের আন্তঃমন্ত্রণালয়ে বৈঠক

বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাঙ্গামাটি নদীতে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নির্মাণাধীন গোমা সেতুর উচ্চতা নিয়ে জটিলতা নিরসনে ফের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার আন্তঃমন্ত্রণালয়ে বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে উচ্চতা জটিলতা নিরসনে নৌযান চালিয়ে শেষ ভাগের কাজ সমাপ্তের সিদ্ধান্ত হয়।

 বৈঠক শেষে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক ইত্তেফাককে জানান, সভায় লঞ্চ চলাচল যাতে ব্যাহত না হয় সে বিষয়টি লক্ষ্য রেখে বিআইডব্লিউটিএ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের কারিগরি কমিটিকে তিন তলা বিশিষ্ট লঞ্চ চালিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও একটি কমিটিও থাকবে বিষয়টি দেখার জন্য।

সড়ক ও জনপথ বরিশাল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুশীল কুমার সাহা জানান, বৈঠকে উপস্থিত প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহরিয়াজ হোসেন এ বিষয়টি তাকে জানিয়েছেন। এর আগেও সেতুর উচ্চতা প্রশ্নে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর আন্তঃমন্ত্রাণালয় বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সভায় সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স নতুন সংশোধনীর পূর্বে নেওয়া হয়েছিল এবং অধিকাংশ কাজ সমাপ্ত হয়ে গেছে তার ভার্টিক্যাল ক্লিয়ারেন্স বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে যতটুকু সম্ভব সংশোধন আনয়নপূর্বক সে সব সেতুর কাজ অবিলম্বে শুরু করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ঐ সিদ্ধান্তের পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সেতুর শেষ ভাগের কাজ শুরু করলে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে উল্লেখ করে সেতুর উচ্চতার বৃদ্ধির জন্য আপত্তি জানালে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে গত ২০ আগস্ট বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান সেতুস্থান পরিদর্শন করেন এবং মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন।   

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উচ্চতা নিয়ে অনুমোদনের ৫ বছর পর বিআইডব্লিউটিএ ফের উচ্চতা বৃদ্ধি করে চিঠি দেওয়ায় ৬৫ ভাগ নির্মাণ কাজ শেষে থমকে রয়েছে কার্যক্রম।