স্পোর্টস রিপোর্টার
অনেকটা নিয়ম করেই যেন বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে হানা দিচ্ছে বৃষ্টি। পরপর দুটি ম্যাচেই তিন ওভার যেতেই বৃষ্টি নেমেছে। গতকাল দুপুরেও এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। তাতে ম্যাচের দৈর্ঘ কমে ৪৭ ওভার হয়। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতেই মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দেখা দেয় ‘উইকেট’ বৃষ্টি। রুবেল হোসেন, সুমন খানের দুরন্ত বোলিংয়ে ছত্রখান তামিম ইকবাল একাদশের ব্যাটিং লাইন।
দুই পেসারের পর স্পিনারদের ঘূর্ণিতে মাত্র ২৩.১ ওভারে ১০৩ রানেই গুটিয়ে যায় তামিম একাদশের ইনিংস। ১০৪ রানের টার্গেটে নামা মাহমুদউল্লাহ একাদশের ব্যাটিং লাইনেও কাঁপন ধরান পেসাররা। সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজের তোপে নাকাল হয়ে স্কোর বোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগেই ৩ উইকেট হারায় মাহমুদউল্লাহ একাদশ। উইকেট পতনের এই বর্ষণ থামিয়ে মুমিনুলের ৩৯ ও নুরুল হাসান সোহানের অপরাজিত ৪১ রানে ভর করেই টুর্নামেন্টে প্রথম জয়ের দেখা পেল দলটি। গতকাল লো স্কোরিং ম্যাচে তামিমদের ৫ উইকেটে পরাজিত করেছে মাহমুদউল্লাহ একাদশ। ২৭ ওভারে ৫ উইকেটে ১০৬ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দলটি।
রান তাড়া করতে নামা মাহমুদউল্লাহদের বিপাকে ফেলেন সাইফউদ্দিন-মুস্তাফিজ। দ্বিতীয় ওভারে নাঈম শেখকে (০) এলবির ফাঁদে ফেলেন মুস্তাফিজ। পরের ওভারে তিন বলের মধ্যে বার্থডে বয় লিটন দাস (০), ইমরুল কায়েসকে (০) ফেরান সাইফউদ্দিন। উইকেট পতনের ধারা থামিয়ে মাহমুদউল্লাহ, সোহানের সঙ্গে যথাক্রমে ৩৯ ও ৩৮ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল। পরে সোহান, সাব্বির দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। তাইজুল, সাইফউদ্দিন ২টি করে উইকেট পান।
এর আগে রুবেল হোসেন ও সুমন খানের গতিময় বোলিং তামিম একাদশের টপঅর্ডার লন্ডভন্ড করে দেয়। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে তামিমকে (২) ফেরান রুবেল। তাই জমেনি দুই তামিমের জুটি। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে অষ্টম ওভারে তানজিদ হাসান তামিম ও মিঠুন রুবেলের শিকার হন। ইনিংস সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন তামিম জুনিয়র। মিডল অর্ডারে সুমনের বোলিংয়ে বিজয় (২৫), দিপু, মোসাদ্দেক ফিরেন সাজঘরে। শেষ দিকে আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও মিরাজ ২টি করে উইকেট নিয়ে ইনিংস শেষ করে দেন। মেহেদী হাসান ১৯, সাইফউদ্দিন ১২ রান করেন। রুবেল ১৬ রানে ও সুমন খান ৩১ রানে ৩টি করে উইকেট নেন।