প্রধানমন্ত্রীর সঠিক সিদ্ধান্তেই করোনায় বড় বিপর্যয় এড়িয়েছে দেশ

ওয়েবিনারে বক্তারা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

করোনা ভাইরাসের কারণে অনেক উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি এখন ঋণাত্মকের দিকে চলে গেছে। সেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতি আগের মতোই সামনের দিকে এগিয়ে চলছে। এর সব কিছুই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারণে। প্রধানমন্ত্রীর সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তেই বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসে বড় বিপর্যয় এড়িয়েছে।

সোমবার রাতে ‘রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি মোকাবেলা’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের অনলাইন টিম আয়োজিত ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এবং আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, করোনা ভাইরাসের সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ব্যাপক সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে। যেখানে বিভিন্ন দেশে এখনো মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, সেখানে বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলায় অনেকটাই ভালো অবস্থানে উঠে এসেছে। যেখানে অনেক উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি এখন ঋণাত্মকের দিকে চলে গেছে সেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতি আগের মতোই সামনের দিকে এগিয়ে চলছে। এর সব কিছুই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্তের কারণে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে করোনা মোকাবিলায় মাত্র ১৫ দিনে দুই হাজার ডাক্তার ও ৫ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ যেই নিয়োগ হতে আমাদের এক বছরেরও বেশি সময় লেগে যেত। একজন বিচক্ষণ নেতা যখন থাকে তখন যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব। দেশ এগিয়ে যায়। করোনার সেকেন্ড ওয়েভের যে আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে তার জন্যও আমরা প্রস্তুত আছি। তিনি আরো বলেন, আমরা জেলা কমিটিকে চিঠি দিয়েছি মানুষকে সচেতন করার জন্য এবং সব ধরনের ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করছি।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিচক্ষণতার সঙ্গে কোন কাজটি কখন করতে হবে, বিশ্বে কোথায় কী হচ্ছে সব কিছু স্টাডি করে তিনি বারবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্দেশনা দেন। জেলা-উপজেলায় মানুষকে সচেতন করতে আমাদের জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা এগিয়ে এসেছেন। লাশ দাফন থেকে শুরু করে ত্রাণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন সাধারণ ছুটির মধ্যে এবং আমাদের দলের কর্মীরাও আন্তরিকতার সঙ্গে একেবারে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত ত্রাণ থেকে শুরু করে সব ধরনের সাহায্য করেছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও করোনা চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন দরিদ্র, অসহায় ও কর্মহীন মানুষদের খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করার জন্য। এরপরে আমরা ১ কোটি ২৫ লাখের একটি ডেটাবেজ তৈরি করে খাদ্য সহয়তা প্রদান করি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ২ লাখ ১১ হাজার ১৭ মেট্রিক টন চাল, ৯৫ কোটি ৮৩ লাখ ৭২ হাজার কোটি টাকা নগদ এবং শিশু খাদ্যের জন্য আমরা ২৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা আমরা দিয়েছি। ওয়েবিনারটি আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে সরাসরি দেখানো হয়।