রাজধানীর খিলক্ষেত মাস্তুল এলাকার একটি বালুর গদিঘর থেকে মো. জনি মিয়া নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি দুলাল এন্টারপ্রাইজ নামে বালু বিক্রির প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করতেন। সোমবার রাত পৌনে ৪টার দিকে খিলক্ষেত থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়। এক ভাই, তিন বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন জনি মিয়া। এক মাস আগে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তার স্ত্রীর নাম লিমা আক্তার।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে নিহত জনির বাবা জাহিদুল মিয়া জানান, মাত্র ১৫ দিন আগেই সে ঐ বালুর গদিতে ম্যানেজার হিসেবে চাকরি নেন। সোমবার সন্ধ্যায় সে বাসা থেকে কাজে যায়। এর পর রাত ৩টার দিকে একজন আমাদের বাসায় এসে জানায় জনি অ্যাক্সিডেন্ট করেছে। পরে সেখানে গিয়ে জনিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পাই।
বাবার অভিযোগ পূর্বশত্রুতার জের ধরে বালু ব্যবসায়ী দুলাল, রাকিব, আব্বাস, আরিফ তাকে হত্যা করে তার ওপর দিয়ে গাড়ি উঠিয়ে দিয়েছে। তিনি এ ঘটনায় মামলা করবেন বলে জানান।
খিলক্ষেত থানার এসআই মো. আব্দুর রহিম জানান, রাতে খবর পেয়ে বালুর গদি থেকে জনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রাতে বালু ট্রাকে তোলার সময় ভেকুর সঙ্গে তার মাথার আঘাত লাগে। এতে তার ডান চোখ ও কপালে গভীর ক্ষতের চিহ্ন হয়। আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তবে ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।