চলচ্চিত্র ঘিরেই ব্যস্ততা

র ফি কু ল  ই স লা ম

 

চলচ্চিত্রাভিনেত্রী বিপাশা কবির এরইমধ্যে টানা একমাস বিরামহীন কাজ করে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেছেন। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নাম ‘সোলমেট’। এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নাম ‘দ্য নিউ নরমাল’। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন বাপ্পী খান এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন সোহেল রানা বয়াতী। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে বিপাশা কবির অভিনয় করেছেন মাহা চরিত্রে। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে বিপাশা কবির বলেন, এই চলচ্চিত্রটির গল্প সমসাময়িক এবং আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। বাপ্পী খান এর আগে নাটক নির্মাণ করলেও এটিই তার প্রথম চলচ্চিত্র। যে কারণে তারও কাজটির প্রতি ভীষণ আন্তরিকতা ছিল। মূলকথা, পুরো ইউনিটের সবাই ভীষণ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেছেন। কারণ দীর্ঘদিন সবাই কাজের বিরতিতে ছিলেন। বহুদিন পর কাজে এসে তাই সবার মধ্যে বেশ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবটা ছিল ভীষণভাবে। টানা ১৬ দিনের কাজে যখন যেভাবে আমারা কাজ করতে চেয়েছি, পুরো ইউনিটই আসলে সহযোগিতা করেছে। যে কারণে কাজটিও বেশ ভালো হয়েছে। সোলমেট চলচ্চিত্রটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী। পূর্ণদৈর্ঘ্য এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দুটিতেই বিপাশা কবিরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন সাঞ্জু জন।

বিপাশা কবিরের প্রিয় অভিনেত্রী শাবানা। তার পরবর্তীকালে শাবনূরও তার প্রিয় অভিনেত্রী। ছোটবেলায় সিনেমা দেখার সময় শাবানার কান্নাই তাকে মূলত অভিনেত্রী হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা যোগায়। বিপাশা ভাবতেন, আমিও যদি এভাবে কাঁদতে পারতাম! একজন স্বনামধন্য প্রযোজক বিপাশার কান্নার অভিনয়েরও বেশ প্রশংসা করেন। রাজধানীর জোনাকী সিনেমা হলে বিপাশা কবির প্রথম শাবনূর-সালমান অভিনীত ‘সুজন সখি’ সিনেমাটি উপভোগ করেন। সেই থেকেই তিনি শাবনূরেরও ভক্ত। তার প্রিয় নায়ক সালমান শাহ। তবে বর্তমানে শাকিব খানও তার প্রিয় অভিনেতা। বিপাশা কবির একজন লাক্স তারকা। তিনি প্রথম রুমানা রশীদ ঈশিতার নির্দেশনায় নাটকে অভিনয় করেন। বিপাশা কবির অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘খাস জমিন’, ‘গুণ্ডামি’, ‘পাষাণ’, ‘পোড়ামন’, ‘আড়াল’, ‘ক্রাইম রোড’, ‘বাজে ছেলে’ ইত্যাদি। এরইমধ্যে বিপাশা কবির অংশ নিয়েছেন দেবাশীষ বিশ্বাসের উপস্থাপনায় বিটিভির ‘অল্প স্বল্প গল্প’ অনুষ্ঠানে।