শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা

কেয়া আক্তার কাকলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আহত হয়েছেন গ্রামের দুর্বৃত্তদের হাতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা মঞ্চের সহায়তায় ধরা পড়েছে দুর্বৃত্তরা। বিচার প্রক্রিয়া চলমান। এটা শত ঘটনার একটিমাত্র দৃষ্টান্ত। এই ঘটনা করোনাকালে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতাকে সর্বোতভাবে প্রকাশ করে।  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীই নিজের গ্রামে অবস্থান করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনলাইন ক্লাস ইউজিসির সফল উদ্যোগে সম্ভব হয়েছে। কিন্তু কত জন শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হতে পারছে তা এক প্রশ্ন। তারপরও এটা ভালো যে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার সঙ্গে যুক্ত আছে। করোনার প্রথম দিক থেকেই ছাত্ররা নিজ উদ্যেগে করোনা সচেতনতামূলক হ্যান্ডবিল বিতরণ, প্রচারণা এবং দুঃস্থদের সহযোগিতায় অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে চলেছে। তারা কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়নি। তবে ঐ অন্যায় কাজের প্রতিরোধ করতে গিয়ে গ্রামের কথিত মোড়ল ও নরপশুদের হাতে নির্যাতিত হতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের, যা খুবই ন্যক্কারজনক। তাই সংশ্লি­ষ্ট সব মহলের কাছে বিনীত আবেদন, করোনার এই মহা দুর্যোগকালে শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করুন।

মুবাশ্বিরুজ্জামান হাসান

শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়