হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে দুটি এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন স্ক্যানার এক সপ্তাহ ধরে নষ্ট অবস্থায় পড়ে আছে। রপ্তানিমুখী কার্গো পণ্য তল্লাশিতে সমস্যা হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডগ স্কোয়াডের কুকুর দিয়ে ইউরোপে রপ্তানিযোগ্য সবজিসহ বিভিন্ন পণ্যের নিরাপত্তা তল্লাশি এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন বাই ডগ (ইডিডি) করানো হচ্ছে। প্রক্রিয়াটি ধীরগতির হওয়ায় বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে পণ্যের জট সৃষ্টি হয়েছে। এতে ইউরোপে অর্ধশতাধিক মেট্রিক টন সবজি রপ্তানি করা যায়নি। জানা যায়, বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই জানিয়ে ২০১৬ সালের ৮ মার্চ দুই দেশের মধ্যে কার্গোবাহী সরাসরি ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য। পরে তাদের পরামর্শে নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রেডলাইন অ্যাসিউর্ড সিকিউরিটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। তারই অংশ হিসেবে শাহজালাল বিমানবন্দরে রপ্তানিমুখী কার্গো পণ্য তল্লাশিতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দুটি ইডিএস বসানো হয়। এদিকে এই স্ক্যানার মেশিন নষ্ট হলেও তা কবে মেরামত সম্ভব হবে—তা বলতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।